📌 চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর হত্যা মামলায় আসামি সাখাওয়াত আলী নোবেল ও ফরহাদের সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ১৯ নভেম্বর নির্ধারণ করেছে ঢাকার অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত। মামলায় ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২০ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে
চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর হত্যা মামলায় আসামি সাখাওয়াত আলী নোবেল ও এস এম ফরহাদের সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ১৯ নভেম্বর নির্ধারণ করেছে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত। সোমবার (২৬ অক্টোবর) আদালতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। মামলায় নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আসামিরা ন্যায়বিচার চেয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চিত্রনায়িকা শিমুর হত্যা মামলায় আসামি সাখাওয়াত আলী নোবেল ও ফরহাদের সাফাই সাক্ষ্য ১৯ নভেম্বর গ্রহণ করা হবে
- 📌 মামলায় ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে
- 📌 ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জের আলীপুর ব্রিজের পাশে শিমুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়
- 📌 দাম্পত্য কলহের জেরে ২০২২ সালের ১৬ জানুয়ারি শিমুকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ
- 📌 মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম নোবেল
📰 বিস্তারিত
সোমবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নুসরাত জাবীন নিম্মীর আদালতে মামলার আসামি সাখাওয়াত আলী নোবেল ও ফরহাদের সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ১৯ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়। আইনজীবী মো. শফিকুল ইসলাম সুমন জানান, আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষী উপস্থাপনের আবেদন করেন।
মামলাটিতে ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। ৬ অক্টোবর সাক্ষ্য গ্রহণের কাজ সম্পন্ন হয়। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি সকালে ঢাকার কেরানীগঞ্জের হযরতপুর ইউনিয়নের আলীপুর ব্রিজের প্রায় ৩০০ গজ উত্তরে পাকা রাস্তার পাশের ঝোপ থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আঙুলের ছাপ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মরদেহটি চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর বলে শনাক্ত করা হয়।
মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী, দাম্পত্য কলহের জেরে ২০২২ সালের ১৬ জানুয়ারি সকাল সাতটা থেকে আটটার মধ্যে শিমুকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এই ঘটনায় ১৮ জানুয়ারি শিমুর ভাই হারুনুর রশীদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরের ২৯ আগস্ট কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম নোবেল ও ফরহাদকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ২৯ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়।
"আমরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করছি এবং ন্যায়বিচার চাই" — আসামি সাখাওয়াত আলী নোবেল ও ফরহাদ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত, কেরানীগঞ্জ মডেল থানা, আলীপুর ব্রিজ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাইমা ইসলাম শিমু, সাখাওয়াত আলী নোবেল, এস এম ফরহাদ, হারুনুর রশীদ, আইনজীবী মো. শফিকুল ইসলাম সুমন, জজ নুসরাত জাবীন নিম্মী, পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম নোবেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ নভেম্বর, ৩৪২ ধারা, ৩৩ জন সাক্ষী, ২০ জন সাক্ষী, ৬ অক্টোবর, ১৭ জানুয়ারি, ৩০০ গজ, ১৬ জানুয়ারি, ১৮ জানুয়ারি, ২৯ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!