📌 খুলনার রূপসা উপজেলায় একটি নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনা দিতে গিয়ে শিক্ষক এসএম মাহাবুবুর রহমানকে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে। আদালত মামলার অপর দুই আসামিকে খালাস দিয়েছে
খুলনা জেলা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রাখিবুল ইসলাম সোমবার (২৬ অক্টোবর) রূপসা উপজেলায় একটি নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনা দিতে গিয়ে শিক্ষক এসএম মাহাবুবুর রহমানকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা প্রদান করেছেন। অনাদায়ে জরিমানার ক্ষেত্রে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনা জেলা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে শিক্ষক মাহাবুবুর রহমানকে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়েছে
- 📌 ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই ছাত্রী গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করে — এই ঘটনায় মা বাদী হয়ে মামলা করেন
- 📌 শিক্ষক ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়ানোর সময় ধর্ষণ ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগ
- 📌 মামলায় বিচারিক কার্যক্রম শেষে অপর দুই আসামিকে আদালত খালাস দিয়েছে
📰 বিস্তারিত
খুলনার রূপসা উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক এসএম মাহাবুবুর রহমানকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনা দিতে গিয়ে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাদীপক্ষের আইনজীবী আজমুন শিকদার রায়ের তথ্য অনুযায়ী, ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে পড়ার সময় শিক্ষক মাহাবুবুর রহমানের কাছে প্রাইভেট পড়তেন। পরে শিক্ষক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং বিয়ের আশ্বাস দিয়ে নিয়মিত ধর্ষণ করতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ২৪ জুলাই শিক্ষক বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে ছাত্রী গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন। এই ঘটনায় ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মামলা করেন। বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত শিক্ষক মাহাবুবুর রহমানকে দণ্ড প্রদান করে এবং মামলার অপর দুই আসামিকে খালাস দিয়েছে।
"ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে পড়ার সময় শিক্ষক মাহাবুবুর রহমানের কাছে প্রাইভেট পড়ত। একপর্যায়ে শিক্ষক তাঁর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন বলে অভিযোগ। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাঁকে নিয়মিত ধর্ষণ করা হতো"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা জেলা, রূপসা উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এসএম মাহাবুবুর রহমান (শিক্ষক), মো. রাখিবুল ইসলাম (বিচারক), আজমুন শিকদার (আইনজীবী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ বছর কারাদণ্ড, ১ লাখ টাকা জরিমানা, ২৪ জুলাই ২০২৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!