📌 জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানাজা ও লাশ দাফনের অধিকারকে মানবিক মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তিনি পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে এই অধিকার লঙ্ঘন করা হতো এবং শত্রুদেরও ইনসাফ করতে হবে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম মানবিক অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি জানাজা ও লাশ দাফনের অধিকারকে প্রত্যেক মানুষের মৌলিক ও ধর্মীয় অধিকার হিসেবে চিহ্নিত করে বলেছেন, এই অধিকার কখনোই কারো কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া যাবে না। বিশেষ করে শত্রুদেরও ইনসাফ করা উচিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় নাহিদ ইসলাম তীব্র নিন্দা জানান।
- 📌 তিনি বলেন, জানাজা ও লাশ দাফনের অধিকার মানবিক ও ধর্মীয় মৌলিক অধিকার।
- 📌 ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ আমলে এই অধিকার লঙ্ঘন করা হতো, যেমন: শহিদ মিনারে পিয়াস করিম ও আল মাহমুদের লাশ আনতে দেয়া হয়নি।
- 📌 গণঅভ্যুত্থান পরবর্তীতে ঢাকায় ফ্যাসিস্ট নেতা তোফায়েলের জানাজা অনুষ্ঠিত হলেও বিরোধী দলের নেতাদের জানাজা অনুমোদন করা হয়নি।
- 📌 নাহিদ ইসলাম মাওলানা দেলোওয়ার হোসাইন সাঈদীর রায়ের পরের হত্যাযজ্ঞে মানবাধিকার কর্মীদের নীরবতা উল্লেখ করে বলেন, বিচার ছাড়া মানবাধিকার কথা বলা অর্থহীন।
- 📌 তিনি দাবি করেন, শহিদ ওসমান হাদীর কবর উৎখাতের ঘটনাও ফ্যাসিবাদের প্রতীক।
- 📌 পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা দেওয়া ঘটনায় তিনি বলেন, ‘আমরা সকল নাগরিকের মানবিক মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় থাকবো’।
📰 বিস্তারিত
আজ সোমবার পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় নাহিদ ইসলাম নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট প্রকাশ করেন। তিনি লাশ দাফনের অধিকারকে মানবিক ও ধর্মীয় মৌলিক অধিকার হিসেবে চিহ্নিত করে বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ আমলে এই অধিকারটুকুও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আমরা এই দৃশ্য পুনরায় দেখতে চাই না।’
নাহিদ ইসলাম মুজিববাদী ফ্যাসিস্টদের উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘শহিদ মিনারে পিয়াস করিম ও আল মাহমুদের লাশ আনতে দেয়নি, সাধারণ জনগণকে শ্রদ্ধা জানাতে দেয়নি। বিরোধী দলের অনেক নেতার জানাজা ঢাকায় করতে দেয়া হয়নি। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানের পরে ঢাকায় রক্ষীবাহিনীর নেতা তোফায়েলের জানাজা হয়েছে। আমার নিজ এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতা একে এম রহমতুল্লাহর জানাজা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মানবাধিকারের প্রশ্ন আসলে সেই সকল হত্যার বিচারও হতে হবে। আমরা লাশের উপরে মুজিববাদীদের নৃত্য উল্লাস দেখেছি, কবর ভাংচুরের ঘটনা দেখেছি এবং জানাজা পড়তে না দেওয়াটাকে কিভাবে স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত করা হয়েছিল।’
"জানাজা পড়ার অধিকার, লাশ দাফনের অধিকার যেকোনো মানুষের ন্যূনতম মানবিক অধিকার, ধর্মীয় অধিকার। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে এই ন্যূনতম অধিকারটুকুও কেড়ে নিয়েছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আমরা এই দৃশ্য পুনরায় দেখতে চাই না।"
নাহিদ ইসলাম মাওলানা দেলোওয়ার হোসাইন সাঈদীর রায়ের পরের হত্যাযজ্ঞে মানবাধিকার কর্মীদের নীরবতা উল্লেখ করে বলেন, ‘মাওলানা সাঈদীর রায়ের পর সারাদেশে যে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ ঘটেছিল, তখন ঢাকা শহরের বহু মানবাধিকার কর্মী চুপ ছিল।’ তিনি দাবি করেন, ‘বিচার ছাড়া মানবাধিকার কথা বলা অর্থহীন।’
তিনি পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘কিন্তু এতকিছুর পরেও আমরা ফ্যাসিস্টদের পথ অনুসরণ করতে পারিনা। ফ্যাসিবাদের বিপরীতে আমাদের ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তাই পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা জানাই। আমরা সকল নাগরিকের মানবিক মর্যাদা ও মানবাধিকারের পক্ষে থাকবো।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পিরোজপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাহিদ ইসলাম (এনসিপি আহ্বায়ক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (পিয়াস করিম ও আল মাহমুদের লাশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!