📌 কুষ্টিয়া সাংবাদিক মাহবুবুল আহসান উল্লাসের ওপর হামলায় জড়িত আসামিদের জামিনের প্রতিবাদে সাংবাদিক নেতারা আদালত চত্বরে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেন। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে তারা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানান এবং বিচারককে প্রত্যাহারের দাবি তোলেন
কুষ্টিয়া জেলায় সাংবাদিক মাহবুবুল আহসান উল্লাসের ওপর হামলায় জড়িত আসামিদের জামিনের প্রতিবাদে সাংবাদিক নেতারা আজ সোমবার আদালত চত্বরে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেন। কুষ্টিয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে প্রবেশের সময় পুলিশের বাধা মোকাবেলা করে সাংবাদিকেরা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভের আয়োজন করেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে, কিন্তু বাধা উপেক্ষা করে তারা আদালত চত্বরে প্রবেশ করে প্রতিবাদ জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাহবুবুল আহসান উল্লাসের ওপর হামলায় জড়িত আসামিদের জামিনের প্রতিবাদে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়
- 📌 পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে সাংবাদিকেরা আদালত চত্বরে প্রবেশ করে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের আয়োজন করেন
- 📌 সাংবাদিক নেতারা দাবি জানান: হামলায় জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং বিচার নিশ্চিত করতে হবে
- 📌 মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামির জামিনের বিষয়টি আইনগতভাবে পর্যালোচনার দাবি তোলেন সাংবাদিক নেতারা
- 📌 বিচারক প্রত্যাহারের দাবি জানান সাংবাদিক নেতারা, অতীতের মতো অপরাধের জন্য কেউ দায়বদ্ধ থাকবে না
- 📌 মাহবুবুল আহসান উল্লাস এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, কিন্তু আসামিদের জামিনের কারণে সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে
- 📌 মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, এছাড়াও অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে
- 📌 মামলার এজাহারে কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেনের ছেলে মো. শোভন হোসেন ও দেহরক্ষী পরিচয়দানকারী রুহুল আমিনসহ অন্যদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি খন্দকার আল মামুন সাগর বলেন, ‘সাংবাদিক মাহবুবুল আহসান উল্লাসের ওপর হামলার পর এখনো তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অথচ গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতে পাঠানোর পর জামিন দেওয়া হয়েছে। এতে সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।’ তিনি অতীতের মতো কেউ যদি যা খুশি তাই করার চেষ্টা করেন, মেনে নেওয়া হবে না। ওই বিচারককে কুষ্টিয়া থেকে প্রত্যাহার না করা হলে বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
আবু মনি জুবায়েদ রিপন বলেন, ‘পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একজন সাংবাদিক হামলার শিকার হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অথচ আসামিরা জামিনে বাইরে।’ সমাবেশে বক্তব্য দেন লুৎফর রহমান কুমার, আবু বকরসহ সাংবাদিক নেতারা। এ সময় জেলার বিভিন্ন উপজেলার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি ও সংসদ সদস্যের দেহরক্ষী পরিচয়দানকারী রুহুল আমিনকে গতকাল রোববার আড়াইটার দিকে কুমারখালীর চড়াইকোল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত শনিবার গভীর রাতে নন্দলালপুর ইউনিয়নের এলঙ্গী এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আমিরুল ইসলাম ও মারুফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গতকাল রোববার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হলে আদালত জামিন মঞ্জুর করেন।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার বেলা পৌনে ১টার দিকে কুমারখালী পৌরসভার কুণ্ডুপাড়া কালীবাড়ি মোড় এলাকায় সড়ক নির্মাণকাজের অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে মাহবুবুল আহসান উল্লাস হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় ওই দিন সন্ধ্যায় তিনি বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় মামলা করেন।
সোমবার সকালে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী রেলওয়ে স্টেশনের সাবেক সেনা ক্যাম্পের সামনের বিশ্রামাগারে মনির হোসেন নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
"সাংবাদিক মাহবুবুল আহসান উল্লাসের ওপর হামলার পর এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অথচ গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতে পাঠানোর পর জামিন দেওয়া হয়েছে। এতে সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অতীতের মতো কেউ যদি যা খুশি তাই করার চেষ্টা করেন, মেনে নেওয়া হবে না। ওই বিচারককে কুষ্টিয়া থেকে প্রত্যাহার না করা হলে বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুষ্টিয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বর, কুমারখালী পৌরসভা, কাশিয়ানী রেলওয়ে স্টেশন, গোপালগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহবুবুল আহসান উল্লাস, খন্দকার আল মামুন সাগর, আবু মনি জুবায়েদ রিপন, লুৎফর রহমান কুমার, রুহুল আমিন, আমিরুল ইসলাম, মারুফ হোসেন, জামাল উদ্দিন (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ জন (মামলায় আসামি), ২০ থেকে ২৫ জন (অজ্ঞাতনামা আসামি), ১১ টা (কুমারখালী-খোকসা আসন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!