📌 ইরান কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে পরমাণু আলোচনার নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে, কিন্তু সাতটি শর্ত পূরণ না হলে আলোচনা শুরু হবে না। ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও জব্দকৃত সম্পদ অবমুক্ত না করলে হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখা হবে
ইরান কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে পরমাণু আলোচনার নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সাতটি দাবি পূরণ না হলে আলোচনা শুরু হবে না। ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজায়ি রাশিয়া সফরে সাংবাদিকদের বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দকৃত ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদানসহ সাতটি শর্ত পূরণ না হলে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখবে এবং কোনো আলোচনাতেই অংশ নেবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরান কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে পরমাণু আলোচনার নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সাতটি শর্ত পূরণ না হলে আলোচনা শুরু হবে না।
- 📌 ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, “কূটনীতির ক্ষেত্রে আমরা আমেরিকানদের কাছে সাতটি শর্ত দিয়েছি। যতক্ষণ না তারা আমাদের এই সাতটি শর্ত পূরণ করছে, ততক্ষণ আমরা হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করব না, কোনো আলোচনাতেও বসব না।”
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত পুনরায় শুরু হতে পারে—এমন আশঙ্কায় মধ্যস্থতাকারীরা সংঘাত অবসানের প্রচেষ্টা জোরদার করছে।
- 📌 ইরানের কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে প্রস্তাবটি যাচাই ও পর্যালোচনা করছে।
- 📌 ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে, যার জবাবে ইরান ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো পাল্টা হামলা চালিয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজায়ি রাশিয়া সফরে সাংবাদিকদের বলেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সাতটি শর্ত আরোপ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দকৃত ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদানসহ আরও কিছু বিষয়। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই সাতটি শর্ত পূরণ না হলে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখবে এবং কোনো আলোচনাতেই অংশ নেবে না।
ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, “মধ্যস্থতকারী মিত্রের (কাতার) মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি যে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে প্রস্তাবটি যাচাই ও পর্যালোচনা করছে।” যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ নতুন করে শুরু হতে পারে—এমন আশঙ্কায় মধ্যস্থতাকারীরা সংঘাত অবসানের প্রচেষ্টা জোরদার করেছেন।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে। সে অভিযানের জবাবে ইরান ও ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ও হুথি গোষ্ঠীগুলো পাল্টা হামলা চালিয়েছে। লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি এই সংঘাত ইয়েমেন পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে, যেখানে ইরান-ঘনিষ্ঠ হুথিরা সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা, বিমানবন্দর ও অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
"কূটনীতির ক্ষেত্রে আমরা আমেরিকানদের কাছে সাতটি শর্ত দিয়েছি। যতক্ষণ না তারা আমাদের এই সাতটি শর্ত পূরণ করছে, ততক্ষণ আমরা হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করব না, কোনো আলোচনাতেও বসব না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, রাশিয়া, লেবানন, সৌদি আরব, হরমুজ প্রণালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহসেন রেজায়ি, ট্রাম্প, কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ০৬ নভেম্বর, ২৮ ফেব্রুয়ারি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!