📌 কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর শামিমের মরদেহ স্থানীয় কবরস্থান থেকে সরিয়ে তার দরবার প্রাঙ্গণে নতুন করে দাফন করার অভিযোগ উঠেছে। ওসি তদন্তে মরদেহ সরিয়ে নেওয়ার সাক্ষ্য পাওয়া গেছে, তবে শামিমের মৃতদেহের অংশ কি তা নিশ্চিত করতে আরও পরীক্ষা চলছে
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পীর আব্দুর রহমান ওরফে শামিমের মরদেহ স্থানীয় কবরস্থান থেকে সরিয়ে তার দরবার প্রাঙ্গণে নতুন করে দাফন করার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান জানান, শামিমের মরদেহের কবর খোঁড়া এবং তার দরবার প্রাঙ্গণে নতুন কবর খোঁড়া অবস্থায় পাওয়া গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুষ্টিয়া দৌলতপুরে পীর শামিমের মরদেহ কবরস্থান থেকে সরিয়ে তার দরবার প্রাঙ্গণে দাফন করার অভিযোগ উঠেছে
- 📌 ওসি খালেদুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ সরিয়ে নেওয়ার সাক্ষ্য এবং নতুন কবরের ভেতরে কঙ্কালসদৃশ বস্তু দেখেছেন
- 📌 শামিমের বড় ভাই ফজলুর রহমান জানান, সকালে কবরস্থানে গিয়ে দেখেন কবর খোঁড়া এবং মরদেহ সরিয়ে নেওয়ার আলামত পাওয়া গেছে
- 📌 শামিম হত্যার ঘটনায় মামলায় জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি ও খেলাফত মজলিসের নেতাসহ চারজন এবং অজ্ঞাতনামা ১৮০ থেকে ২০০ জন আসামি
- 📌 মরদেহ সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি
📰 বিস্তারিত
শামিমের ভক্তদের অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার রাতের কোনো এক সময় ফিলিপনগর দারোগার মোড় এলাকার কবরস্থান থেকে শামিমের মরদেহ তুলে ‘শামিমি বাবার দরবার শরিফ’ নামক স্থানে নতুন করে দাফন করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ওসি খালেদুর রহমান জানান, মরদেহ সরিয়ে নেওয়ার সাক্ষ্য পাওয়া গেছে। তবে সেটি শামিমের মরদেহের অংশ কি না তা নিশ্চিত করতে আরও পরীক্ষা চলছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে এবং তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শামিমের বড় ভাই ফজলুর রহমান জানান, সকালে খবর পেয়ে তিনি এবং তাঁর স্বজনরা কবরস্থানে গিয়ে দেখেন, কবরটি খোঁড়া হয়েছে এবং মরদেহ সরিয়ে নেওয়ার আলামত পাওয়া গেছে। পরে দরবার প্রাঙ্গণে গিয়ে তারা একটি নতুন কবর খোঁড়া এবং খাপাচি দিয়ে মাটি চাপা অবস্থায় দেখতে পান।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১১ এপ্রিল দুপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে শামিমের দরবারে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ সময় তাঁকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ করা হয়। পরদিন ১২ এপ্রিল ময়নাতদন্ত শেষে স্থানীয় একটি কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়। শামিম হত্যার ঘটনায় তাঁর বড় ভাই বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় মামলা করেন। মামলায় জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি ও খেলাফত মজলিসের এক নেতাসহ চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
"মরদেহ সরিয়ে নেওয়ার আলামত পাওয়া গেছে। নতুন কবরের ভেতরে কঙ্কালসদৃশ বস্তু দেখা যাচ্ছে। তবে সেটি শামিমের মরদেহের অংশ কি না, তা নিশ্চিত করতে আরও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফিলিপনগর, দৌলতপুর উপজেলা, কুষ্টিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি খালেদুর রহমান, পীর শামিম, ফজলুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ এপ্রিল, ১২ এপ্রিল, ১৮০ থেকে ২০০ জন আসামি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!