📌 ২৬ আগস্টের হিমালয়ের হিমবাহধসের পর নেপালের ত্রিশূলী বাজার এলাকায় বাংলাদেশের ত্রাণকর্মীরা দেখলেন ধ্বংসযজ্ঞের অপরূপ দৃশ্য। ২৩ জন কর্মীর মধ্যে মাত্র তিনজন বেঁচে গেছেন, বাকি ২০ জনের খোঁজ এখনো পাওয়া যায়নি। ত্রাণকর্মীরা দেখলেন কাদা-পাথর মিশ্রিত পানিতে ডুবে যাওয়া বাড়ি, মোটরসাইকেল ও ব্যাংক ভবন
নেপালের ত্রিশূলী বাজার এলাকায় ২৬ আগস্টের হিমবাহধসের প্রলয়ঙ্করী প্রভাবের চোখে পড়লেন বাংলাদেশের ত্রাণকর্মীরা। ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্টের পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা ও তার দলের সদস্যরা দুর্গত এলাকায় গিয়ে দেখলেন ধ্বংসযজ্ঞের অপরূপ দৃশ্য। তারা জানালেন, মহাসড়ক ত্রিশূলী নদীতে মিশে গেছে, পথে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। নুয়াকোট জেলার বিদুর শহর থেকে কাঠমান্ডু ৫৫ কিলোমিটার দূরে এই এলাকায় নেপাল সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণকেন্দ্র থেকে উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২৬ আগস্টের হিমবাহধসে** নেপাল-তিব্বত সীমান্ত এলাকায় বিস্তীর্ণ অঞ্চল আচ্ছাদিত হয়েছে কাদা-পাথর মিশ্রিত পানিতে
- 📌 **ত্রিশূলী বাজারে** একটি ব্যাংকের ভবনে ২৩ জন কর্মীর মধ্যে মাত্র **৩ জন বেঁচে গেছেন**, বাকি **২০ জনের খোঁজ পাওয়া যায়নি**
- 📌 **হেলিকপ্টার** নিয়মিত ত্রাণ সরবরাহ করছে এবং দুর্গত, অসুস্থ বা মৃত ব্যক্তিদের নিয়ে আসছে
- 📌 **ত্রাণকর্মীরা** দেখলেন কাদায় আধা-ডুবে থাকা **পিকআপ গাড়ি ও মোটরসাইকেল**, বিদ্যুতের তার ছড়িয়ে পড়া এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন
- 📌 **বদলে গেল ত্রাণ পরিকল্পনা** — চিকিৎসা নয়, **সোলার লাইট, পোশাক ও এলপিজি সিলিন্ডার** সরবরাহের জন্য যাত্রা শুরু করলেন তারা
📰 বিস্তারিত
২৬ আগস্টের হিমবাহধসের পর নেপালের ত্রিশূলী বাজার এলাকায় বাংলাদেশের ত্রাণকর্মীরা গিয়ে দেখলেন কীভাবে প্রলয়ঙ্করী ঘটনা এই অঞ্চলকে ধ্বংসের শিকার করেছে। ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্টের পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, “গাড়ি নিয়ে যাওয়ার আর পথ নেই। মহাসড়কের একটা অংশ ত্রিশূলী নদীতে মিশে গেছে।” নুয়াকোট জেলার বিদুর শহর থেকে কাঠমান্ডু ৫৫ কিলোমিটার দূরে এই এলাকায় নেপাল সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণকেন্দ্র থেকে উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। সেখানে ফিল্ড ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে এবং হেলিকপ্টার নিয়মিত ত্রাণ সরবরাহ করছে।
ত্রাণকর্মীরা ত্রিশূলী বাজারে পৌঁছালে দেখলেন, একসময় জমজমাট বাজারটি এখন কাদামাটিতে আধা-ডুবে আছে। পিকআপ গাড়ি, মোটরসাইকেল এবং বিদ্যুতের তার ছড়িয়ে পড়া দৃশ্য দেখে তাদের মন ভার হয়ে গেল। একটি ব্যাংকের ভবনে ২৩ জন কর্মীর মধ্যে মাত্র তিনজন বেঁচে গেছেন। বাকি ২০ জনের খোঁজ এখনো পাওয়া যায়নি। ত্রিশূলী নদীর দুই পাড়ে ধ্বংসের চিহ্ন স্পষ্ট।
ত্রাণকর্মীরা জানালেন, “বন্যার পর এই এলাকা দু-তিন দিন পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন ছিল। মানুষজন খুব কাছের প্রিয়জন হারিয়েছেন, অনেকে এখনো নিখোঁজ স্বজনের সন্ধান করছেন।” তারা দেখলেন, অনেকেই নিজেদের বাড়ির কাছে ছুটে এসেছেন প্রিয়জনের খোঁজ করতে। এই দৃশ্য দেখে তাদের মন খুব ভার হয়ে গেল।
"আমরা চিকিৎসা নিয়ে যাবার পরিকল্পনা করেছিলাম, কিন্তু বিদুর ঘুরে দেখে বুঝতে পারলাম, আসলে মানুষদের প্রয়োজন সোলার লাইট, পোশাক ও এলপিজি সিলিন্ডার। এখন আমরা এই সামগ্রী সরবরাহের জন্য যাত্রা শুরু করেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ত্রিশূলী বাজার, নুয়াকোট জেলা, নেপাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. গোলাম মোস্তফা (ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্টের পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ (আগস্ট), ৫৫ (কিলোমিটার), ২৩ (ব্যাংক কর্মী), ২০ (নিখোঁজ কর্মী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!