📅 ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পটুয়াখালীতে বিএনপি নেতা ইদ্রিস খানের পরিবারের সদস্যদের গ্রেপ্তারকালে পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা

পটুয়াখালীতে বিএনপি নেতা ইদ্রিস খানের পরিবারের সদস্যদের গ্রেপ্তারকালে পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় বিএনপি নেতা ইদ্রিস খানের পরিবারের সদস্য কাউসার খান ও মোকসেদুলকে পুলিশ গ্রেপ্তার করার সময় পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মামলায় ১৩ জন আসামি রয়েছে, যার মধ্যে ইদ্রিস খানসহ নেতা ও তার লোকজন

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় বিএনপির স্থানীয় নেতা ইদ্রিস খানের পরিবারের সদস্য দুজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করার সময় পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটে গত শুক্রবার দুপুরে চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরআন্ডা গ্রামে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিএনপি নেতা ইদ্রিস খানের ছেলে কাউসার খান ও নাতি মোকসেদুলকে পুলিশ গ্রেপ্তার করার সময় মোকসেদুলকে স্থানীয় লোকজন পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়।
  • 📌 রাঙ্গাবালী থানার পুলিশ কাউসার খানকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়, কিন্তু মোকসেদুলকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে।
  • 📌 মামলায় ১৩ জন আসামি রয়েছে, যার মধ্যে ইদ্রিস খানসহ বিএনপির স্থানীয় নেতা ও তার লোকজন।
  • 📌 বাদী আবদুল কাইয়ুম সিকদার জানান, ৩১ আগস্ট তিনি রাঙ্গাবালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন।
  • 📌 পুলিশের অভিযোগ, এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় কিছু লোক পুলিশের সঙ্গে ঝামেলায় জড়ায়।

📰 বিস্তারিত

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরআন্ডা গ্রামে গত শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে। বিএনপির স্থানীয় নেতা ইদ্রিস খান চরমোন্তাজ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আদালতে করা মামলার আসামি হিসেবে তাঁর ছেলে কাউসার খান ও নাতি মোকসেদুলকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

মামলার বাদী আবদুল কাইয়ুম সিকদার জানান, গত ৩০ আগস্ট বিএনপি নেতা ইদ্রিস খানের নেতৃত্বে তাঁদের ওপর হামলা হয়। এ ঘটনায় ৩১ আগস্ট তিনি বাদী হয়ে রাঙ্গাবালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন। মামলায় ইদ্রিস খানসহ ১৩ জনকে আসামি করা হয়। পরে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

পুলিশের অভিযোগ, গতকাল দুপুরে রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দিনসহ পাঁচজন পুলিশ সদস্য এলাকায় গিয়ে মামলার আসামি কাউসার খান ও মোকসেদুলকে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা করেন। তবে মোকসেদুলকে স্থানীয় লোকজন পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়। পুলিশ শুধু কাউসার খানকে থানায় নিয়ে যায়। এলাকাটি দুর্গম চরাঞ্চল হওয়ায় কিছু নারী-পুরুষ আসামিদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে পুলিশের সঙ্গে ঝামেলায় জড়ান বলে জানান রাঙ্গাবালী থানার উপপরিদর্শক রেজাউল শেখ।

গ্রেপ্তার কাউসার খানকে থানায় আনার পর আজ শনিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় লোকজন জানান, মোকসেদুলকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশের অভিযান চালিয়ে আসামিসহ অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ চলছে।

কাউসার খানের স্ত্রী ফাতেমা বেগম জানান, শুক্রবার তাঁর স্বামী ও মোকসেদুল মসজিদে নামাজ পড়ছিলেন। তখন পুলিশ নামাজ পড়তে বাধা দিয়ে তাঁর স্বামীর হাতে হাতকড়া পরায়। পুলিশের কাছে গ্রেপ্তারের কাগজ দেখতে চাইলেও তারা দেখাতে পারেনি। এ জন্য তাঁরা বাধা দিয়ে মোকসেদুলকে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নেন। তবে তাঁরা পুলিশের ওপর হামলা করেননি।

বিএনপি নেতা ইদ্রিস খান অসুস্থ থাকায় এলাকায় অবস্থান করছেন না। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁর ভাষ্য, তিনি কাউকে কোনো নির্দেশ দেননি। পুলিশ অন্যায়ভাবে মসজিদে নামাজ পড়া অবস্থায় তাঁর ছেলে কাউসার ও নাতি মোকসেদুলকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাঁর নাতি পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যায় বলে তিনি শুনেছেন।

"পুলিশ অন্যায়ভাবে মসজিদে নামাজ পড়া অবস্থায় আমার ছেলে ও নাতিকে গ্রেপ্তার করে। আমার নাতি পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যায় বলে আমি শুনেছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চরআন্ডা গ্রাম, চরমোন্তাজ ইউনিয়ন, রাঙ্গাবালী উপজেলা, পটুয়াখালী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইদ্রিস খান (বিএনপি নেতা), কাউসার খান (ইদ্রিসের ছেলে), মোকসেদুল (ইদ্রিসের নাতি), আবদুল কাইয়ুম সিকদার (বাদী), রেজাউল শেখ (রাঙ্গাবালী থানার উপপরিদর্শক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ নম্বর ওয়ার্ড, ৩০ আগস্ট, ৩১ আগস্ট, ১৩ জন আসামি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖