📌 কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী অপ্রতিম শাহরিয়ারের হত্যাকাণ্ডে তিন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। তারা বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে তার মৃত্যু ঘটানোর কথা স্বীকার করেছেন। মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার পর ঘটনাটি ঘটে
কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী অপ্রতিম শাহরিয়ারের অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে তিন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে কুমিল্লা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক আবিদা সুলতানা মলির সামনে তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আসামিদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম তুহিনকে হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী অপ্রতিম শাহরিয়ারের হত্যাকাণ্ডে তিন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন
- 📌 আসামিদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম তুহিনকে হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে
- 📌 তারা বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে অপ্রতিমের মৃত্যু ঘটানোর কথা স্বীকার করেছেন
- 📌 অপ্রতিমের মরদেহ সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের জঙ্গলে উদ্ধার করা হয়েছিল
- 📌 মামলায় আসামিদের নাম অজ্ঞাত থাকলেও পরে তদন্তে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়
📰 বিস্তারিত
রোববার রাত নয়টার দিকে কুমিল্লা ডিবি পুলিশ তিন আসামিকে আদালতে সোপর্দ করে। আসামিদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম তুহিনের বাড়ি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার সানন্দা এলাকায়। তিনি কুমিল্লা সিটি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময় ২০২৫ সালে পড়াশোনা ছেড়ে দেন। অপর দুই আসামি হলেন ফাহাদ এবং কামরুল। কামরুল নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং তার বাড়ি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত। ফাহাদের বাড়ি কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার হাতিগাড়া এলাকায়।
সূত্র জানায়, জবানবন্দিতে তারা তিনজনই অপ্রতিমকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। অপ্রতিমের হাতে থাকা আইফোনটি দিতে রাজি না হওয়ায় তার সঙ্গে আসামিদের ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেয় তারা এবং বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে অপ্রতিমের মৃত্যু ঘটায়। গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতী এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। পরদিন শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের নির্জন জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
অপ্রতিম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় আসামিদের নাম অজ্ঞাত থাকলেও পরে তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। রাত পৌনে ১০ টার দিকে আসামিদের কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লা আদালতের পরিদর্শক সাদিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
"আমরা তিনজনই অপ্রতিমকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করছি। তিনি মোবাইল ফোন দিতে অস্বীকার করলে আমরা তার সঙ্গে ধস্তাধস্তি করি এবং তার মৃত্যু ঘটায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা, সানন্দা গ্রাম, লালমাই পাহাড়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাইফুল ইসলাম তুহিন, ফাহাদ, কামরুল, কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার, বিচারক আবিদা সুলতানা মলি, পরিদর্শক সাদিকুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (আসামি), ১৩ (অপ্রতিমের বয়স), ৬ (আদালত নম্বর), ১৬৪ (ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা), ২৪ (ওয়ার্ড নম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!