📌 জম্মু-কাশ্মীরের ফিজা নাজির ভারতের একমাত্র নারী মিক্সড মার্শাল আর্টস (এমএমএ) ফাইটার। বাবার স্বপ্ন পূরণের পথে তিনি ৪০টিরও বেশি পদক জিতেছেন এবং থাইল্যান্ডে প্রশিক্ষণ নিয়ে বিশ্বমানের প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন
জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগর থেকে আসা ফিজা নাজির ভারতের একমাত্র নারী মিক্সড মার্শাল আর্টস (এমএমএ) ফাইটার। তিনি বাবার স্বপ্ন পূরণের পথে বিশ্বস্ততা দিয়ে ৪০টিরও বেশি পদক জিতেছেন এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের একমাত্র নারী এমএমএ ফাইটার ফিজা নাজির ৪০টিরও বেশি পদক জিতেছেন, যার মধ্যে দুটি স্বর্ণপদক রয়েছে
- 📌 ২৫ বছর আগে বাবা নাজির আহমেদের কথা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ফিজা মার্শাল আর্টসের দিকে ধাবিত হন
- 📌 থাইল্যান্ডে প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য যান, কারণ ভারতের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা বিশ্বমানের নয়
- 📌 বাবা-মা ফিজার লড়াই দেখেন না, শুধু জয়ের ছবি দেখেন
- 📌 ডাক্তারি পড়ার স্বপ্ন ছেড়ে ফাইটিং কেজে নিজের পরিচয় গড়েন
📰 বিস্তারিত
২৫ বছর আগে নাজির আহমেদের কথা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ফিজা নাজিরের জীবনে মার্শাল আর্টসের যাত্রা শুরু হয়। বাবা বলেছিলেন, "আমার ছেলে থাকলে সে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতো।" সেই কথাগুলো শুনে চার বছর বয়সী ফিজা ঠিক করে নেন যে বড় হয়ে তিনি অ্যাথেলিট হবে।
ফিজা নাজিরের কথায়, "আমি তখনই ঠিক করে ফেলি যে বড় হয়ে আমি অ্যাথেলিট হব এবং পরের বছর থেকেই আমি ট্রেনিং শুরু করে দিই। স্কুল ও কলেজে পৌঁছনোর আগেই আমি জাতীয় স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করতে শুরু করি। মেডেলও জিততে থাকি।" তিনি বলেন, বাবা-মা খুশি হলেও মার্শাল আর্টসের বিপজ্জনক প্রকৃতি নিয়ে চিন্তিত ছিলেন।
ফিজা নাজির ভারতের একমাত্র নারী এমএমএ ফাইটার। তিনি দুটি স্বর্ণপদকসহ মোট ৪০টিরও বেশি পদক জিতেছেন। তবে বাবা-মা তার লড়াই দেখেন না। তিনি বলেন, "আহত হওয়াটা খেলারই একটা অংশ মাত্র। তবে আমার বাবা-মা আমার লড়াই দেখেনই না। তারা শুধুমাত্র আমি জেতার পর উদযাপনের ছবি দেখেন।"
ফিজা নাজিরের মার্শাল আর্টসের সঙ্গে সম্পর্ক পাঁচ বছর বয়স থেকে। তিনি বলেন, "আমি শুরুটা করেছিলাম থাং টা দিয়ে, যেটা জুডো-কারাতের মতোই একটা খেলা। কিন্তু ২০১৯ সালে অনুভব করতে থাকি যে আমার একটা বৈশ্বিক মঞ্চ প্রয়োজন। তাই মিক্সড মার্শাল আর্টসের হাত ধরে আমি নিজের একটা স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করি।"
গত চার বছর ধরে থাইল্যান্ডে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন ফিজা। তিনি বলেন, "আমাকে থাইল্যান্ডে যেতে হয়েছিল। সেখানকার অ্যাকাডেমিতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। কাশ্মীরের কথা বলতে গেলে, সেখানে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোও নেই, আর মিক্সড মার্শাল আর্টস সম্পর্কে মানুষ বিশেষ কিছু জানেও না।"
"আমি নিশ্চিত ছিলাম যে আমার জায়গা হাসপাতালে নয়, আমার জায়গা ফাইটিং কেজে। নিজেকে এগুলো বোঝানোটা সহজ ছিল, কারণ একজন এমএমএ ফাইটার হয়ে ওঠার স্বপ্নটা আমার ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জম্মু ও কাশ্মীর (শ্রীনগর), ভারত; থাইল্যান্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফিজা নাজির, নাজির আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০+ পদক, ২৫ বছর আগে, ৪ বছর বয়স
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!