📌 খুলনার সাইবার ট্রাইব্যুনালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার উত্তরপত্র ফাঁসের মামলায় তিনজনকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে মামলায় আরেক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে
খুলনার সাইবার ট্রাইব্যুনালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার উত্তরপত্র ফাঁসের মামলায় তিনজনকে সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা প্রদান করা হয়েছে। বিচারক অরুণাভ চক্রবর্তী আজ বুধবার দুপুরে দণ্ডপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন। এই মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে জরিমানার ক্ষেত্রে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনার সাইবার ট্রাইব্যুনালে ৩ জনকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা
- 📌 মামলায় আরেক আসামি মাহবুবুর রহমানকে খালাস দেওয়া হয়েছে
- 📌 ২০১৫ সালের ১৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত পরীক্ষার উত্তরপত্র টাকার বিনিময়ে ফাঁস করা হয়েছিল
- 📌 পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপপরিদর্শক বাহাউদ্দিন মোল্লা মামলার বাদী
- 📌 অভিযুক্তদের মধ্যে রেশমা খাতুন, ফেরদৌসী আফরোজ ও মো. আবুল হাসান
📰 বিস্তারিত
২০১৫ সালের ১৬ আগস্ট খুলনার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রাক্-নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই পরীক্ষার উত্তরপত্র টাকার বিনিময়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের কাছে পাঠানোর চক্র খুলনায় সক্রিয় ছিল। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ১৭ আগস্ট সন্ধ্যায় পুলিশ সদর থানার ইস্পাহানি লেনের একটি বাড়ির চতুর্থ তলায় অবস্থানরত প্রতারকদের গ্রেপ্তার করে। পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপপরিদর্শক বাহাউদ্দিন মোল্লা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করেন।
বিচারক অরুণাভ চক্রবর্তী আজ বুধবার দুপুরে দণ্ডপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছে সাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী রেশমা খাতুন, মুন্সিপাড়া দ্বিতীয় লেনের বেলালুজ্জামানের স্ত্রী ফেরদৌসী আফরোজ এবং শেখপাড়া মেইন রোডের হাজি আলাউদ্দিনের ছেলে মো. আবুল হাসান। অন্যদিকে, মামলায় আরেক আসামি মাহবুবুর রহমানকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি উপজেলার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা।
এই ঘটনার সাথে জড়িত চট্টগ্রামের সাতকানিয়া মামলায়ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের হাতে ১২ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এই মামলায় মো. আজাদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
"২০১৫ সালের ১৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত পরীক্ষার উত্তরপত্র টাকার বিনিময়ে ফাঁস করা হয়েছিল। পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপপরিদর্শক বাহাউদ্দিন মোল্লা মামলার বাদী হিসেবে দায়ের করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা, সদর থানা, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক অরুণাভ চক্রবর্তী, রেশমা খাতুন, ফেরদৌসী আফরোজ, মো. আবুল হাসান, বাহাউদ্দিন মোল্লা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন কারাদণ্ড, ৭ বছর কারাদণ্ড, ৫ লাখ টাকা জরিমানা, ১৬ আগস্ট ২০১৫, ১৭ আগস্ট ২০১৫, ৩৩ বছর বয়সী জাহেদুল আলম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!