📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টুঙ্গিপাড়ায় যৌতুক দাবিতে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

টুঙ্গিপাড়ায় যৌতুক দাবিতে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যৌতুক দাবিতে স্ত্রীকে মারধর ও আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল নেতা সাহেদ তালুকদারের বিরুদ্ধে। বর্ণা খানম নামে স্ত্রীকে উদ্ধার করে তাঁর মায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যৌতুক দাবিতে স্ত্রী বর্ণা খানমকে মারধর ও আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে ড. এমদাদুল হক মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি সাহেদ তালুকদারের বিরুদ্ধে। বর্ণার মায়ের লিখিত অভিযোগের পর গতকাল সোমবার বিকেলে পুলিশ বর্ণাকে উদ্ধার করে তাঁর মায়ের জিম্মায় দিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অভিযুক্ত সাহেদ তালুকদার (২৩) — ড. এমদাদুল হক মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি
  • 📌 বর্ণা খানমের অভিযোগ: স্বামী নিয়মিত যৌতুক দাবি করতেন, অস্বীকার করলে মারধর করতেন
  • 📌 গত ২৯ আগস্ট বর্ণাকে মারধর করে আটকে রাখা হয় বলে বর্ণার মা জেসমিন বেগমের অভিযোগ
  • 📌 সাহেদ তালুকদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন: স্বামী-স্ত্রীর মনোমালিন্যের কারণে কথা হয়েছে
  • 📌 টুঙ্গিপাড়া থানার উপপরিদর্শক কামরুল ইসলাম জানান, বর্ণাকে উদ্ধার করে তাঁর মায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে

📰 বিস্তারিত

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যৌতুক দাবিতে স্ত্রী বর্ণা খানমকে মারধর ও আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল নেতা সাহেদ তালুকদারের বিরুদ্ধে। বর্ণার মায়ের লিখিত অভিযোগের পর গতকাল সোমবার বিকেলে পুলিশ বর্ণাকে উদ্ধার করে তাঁর মায়ের জিম্মায় দিয়েছে।

বর্ণার মা জেসমিন বেগম জানান, তাঁর মেয়ে বর্ণা খানমের সঙ্গে ২০২৫ সালের ২৬ মে গোপালগঞ্জ আদালতের নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে সাহেদ তালুকদারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সাহেদ বিভিন্ন সময় স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি করতেন। বর্ণা যৌতুক দিতে অস্বীকৃতি জানালে সাহেদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বর্ণাকে মারধর করতেন।

জেসমিন বেগম বলেন, গত ২৯ আগস্ট তিনি ও তাঁর বড় মেয়ে বর্ণাকে আনতে সাহেদের বাড়িতে গেলে তাঁদের সামনে বর্ণাকে মারধর করে আটকে রাখা হয়। তিনি আরও বলেন, ‘ওরা নিজেরা কোর্ট ম্যারেজ করেছিল। বিয়ের পর থেকেই জামাই কথায় কথায় টাকা দাবি করে। আগে অনেক টাকা-পয়সা দিয়েছি, কিন্তু এখন আর দিতে পারি না। টাকা না পেলেই আমার মেয়েকে মারধর করে।’

বর্ণা খানম নিজেও অভিযোগ করেন, সাহেদ নিয়মিত তাঁর কাছে টাকা-পয়সা চাইতেন। এমনকি তাঁর বাবার বাড়ি থেকেও অনেকবার টাকা চুরি করেছেন সাহেদ। তিনি বলেন, ‘সাহেদ নিয়মিত নেশা করে আমাকে মারধর করে। আর তার মা মাসুলা বেগম এসব কাজে সায় দেয়।’

বর্ণার বড় বোন কল্পনা খানম জানান, তাঁরা মাকে নিয়ে বর্ণাকে আনতে গেলে সাহেদ তাঁদের সামনে বর্ণাকে মারধর করে আটকে রাখেন। তিনি বলেন, ‘আমরা বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে আমার মা টুঙ্গিপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।’

অভিযোগ অস্বীকার করে সাহেদ তালুকদার বলেন, ‘আমি কখনো শাশুড়ির কাছে যৌতুক দাবি করিনি। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য হওয়ায় কখনো কখনো বেশি কথা বলেছি। তারা আমার সংসার ভাঙার জন্য মিথ্যা অভিযোগ করেছে।’

‘আমি আর ওর কাছে মেয়ে দেব না।’ — বর্ণার মা জেসমিন বেগম
‘আমি ওর সঙ্গে সংসার করতে চাই না।’ — বর্ণা খানম

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাহেদ তালুকদার (২৩), বর্ণা খানম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ (সাহেদের বয়স), ২৬ মে (বিয়ের তারিখ), ২৯ আগস্ট (মারধরের ঘটনা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖