📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঝালকাঠি এএসআইকে ফাঁসানোর চেষ্টায় ঘুষের মামলায় দুজন আসামি, নারায়ণগঞ্জের কর্মচারী অভিযোগ করে বাদী

ঝালকাঠি এএসআইকে ফাঁসানোর চেষ্টায় ঘুষের মামলায় দুজন আসামি, নারায়ণগঞ্জের কর্মচারী অভিযোগ করে বাদী

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঝালকাঠি সদর থানায় নারায়ণগঞ্জের কর্মচারী আজাদ খান বাদী হয়ে ঘুষের মামলায় দুজন আসামিকে অভিযুক্ত করেছেন। অভিযোগে এএসআই মোহিত চন্দ্র হালদারকে ফাঁসানোর চেষ্টা ও ২১ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে

ঝালকাঠি সদর থানায় এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহিত চন্দ্র হালদারকে ফাঁসানোর চেষ্টা ও ঘুষের মামলায় নারায়ণগঞ্জের কর্মচারী মো. আজাদ খান বাদী হয়ে দুজন আসামিকে অভিযুক্ত করেছেন। মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে সোহাগ মোল্লা ওরফে মোল্লা শাওন (৪০) এবং আব্দুর রহিম মুন্না (২৫)।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঝালকাঠি সদর থানায় মো. আজাদ খান বাদী হয়ে মামলা করেন; অভিযুক্ত দুজনকে ঘুষ নেওয়ার ও এএসআইকে ফাঁসানোর চেষ্টায় দোষারোপ করা হয়েছে
  • 📌 নারায়ণগঞ্জের কর্মচারী আজাদ খান অভিযোগ করেন, সোহাগ মোল্লা তাঁর কাছ থেকে ২১ হাজার টাকা দাবি করে ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের চেষ্টা করেন
  • 📌 অভিযোগে আজাদকে ঝালকাঠিতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং এএসআই মোহিত চন্দ্র হালদারকে ফাঁসানোর বিষয় আলোচিত হয়; পুলিশের ধাওয়ায় আহত হওয়ার ঘটনা দেখিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করার চেষ্টা করা হয়
  • 📌 সোহাগ মোল্লা নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেন, কিন্তু তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়; আব্দুর রহিম মুন্নার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি
  • 📌 ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

মো. আজাদ খান নারায়ণগঞ্জের একটি রডের দোকানে কর্মরত। তিনি বা তাঁর পরিবারের কোনো সদস্য ঝালকাঠি কৃষি ব্যাংকের কোনো শাখা থেকে ঋণ নেননি। অথচ তাঁর বাড়িতে ব্যাংকের ঋণসংক্রান্ত নোটিশ আসে। পরে তিনি জানতে পারেন, তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এএসআই মোহিত চন্দ্র হালদার আজাদের খোঁজ করতে দেউলকাঠি এলাকায় যান।

আজাদের অভিযোগ, পরিচিতজনের মাধ্যমে অভিযুক্ত সোহাগ মোল্লার সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়। বিষয়টি সমাধান করে দেওয়ার কথা বলে সোহাগ মোল্লা তাঁর কাছ থেকে ১ হাজার টাকা নেন। পরে তাঁর বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে ভিডিও ধারণ করা হয় এবং আরও ২১ হাজার টাকা দাবি করা হয়। আজাদ বলেন, তিনি ২ হাজার টাকা দিয়ে বাকি টাকা পরে দেওয়ার কথা জানান। পরে তাঁকে ঝালকাঠিতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পুকুরপাড়ে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে এএসআই মোহিত চন্দ্র হালদারকে ফাঁসানোর বিষয় আলোচিত হয়।

আজাদ আরও অভিযোগ করেন, তাঁকে দিয়ে এএসআই মোহিতের বিরুদ্ধে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ সাজানোর চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি পুলিশের ধাওয়ায় খালে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনা দেখিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও এক্স-রে করানোর জন্য তাঁকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। তিনি একটি এটিএম বুথ থেকে ২৫ হাজার টাকা উত্তোলন করে অভিযুক্তদের একজনকে ১৯ হাজার টাকা দেন। তাঁকে নির্দিষ্ট বক্তব্য দিতে এবং সেই বক্তব্যের ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের কথাও বলা হয়।

"আজাদ খানের অভিযোগ, এএসআই মোহিত চন্দ্র হালদারকে ফাঁসানোর উদ্দেশেই এমন কর্মকাণ্ড করা হচ্ছিল। পরে তিনি পুলিশের কাছে গিয়ে বিষয়টি জানান এবং সোহাগ মোল্লা ওরফে মোল্লা শাওন ও আব্দুর রহিম মুন্নার বিরুদ্ধে মামলা করেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঝালকাঠি সদর থানা, দেউলকাঠি গ্রাম, সদর উপজেলার ধানসিঁড়ি এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আজাদ খান (বাদী), সোহাগ মোল্লা ওরফে মোল্লা শাওন (৪০), আব্দুর রহিম মুন্না (২৫), এএসআই মোহিত চন্দ্র হালদার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ হাজার টাকা (দাবি), ২৫ হাজার টাকা (এটিএম থেকে উত্তোলন), ১৯ হাজার টাকা (দেওয়া), ৩০০+ চেকপোস্ট (ঢাকা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖