📌 ঢাকার তেজগাঁও কলেজ মসজিদ এলাকায় উগ্রবাদী গ্রুপের ২৩ সদস্যের অভিযান চালিয়ে পুলিশ ১১ জনকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। বাকি ১২ জনকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং তাদের তিন দিনের রিমান্ড পেয়েছে আদালত। গ্রেপ্তারদের মধ্যে শিহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে আগে সন্ত্রাসবিরোধী মামলা ছিল
ঢাকার তেজগাঁও কলেজ মসজিদ এলাকায় উগ্রবাদী গ্রুপের অভিযান চালিয়ে পুলিশ ২৩ জনের মধ্যে ১১ জনকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। বাকি ১২ জনকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং তাদের তিন দিনের রিমান্ড পেয়েছে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই গ্রুপের সদস্যরা ‘মিটআপ’ নামে একটি গোপন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে উগ্রবাদী কথাবার্তা প্রচার করতেন এবং সহিংসতা ঘটানোর পরিকল্পনা করতেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৩ জনের মধ্যে ১১ জন মুচলেকা দিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে শেরেবাংলা নগর থানায়।
- 📌 বাকি ১২ জনকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং তাদের তিন দিনের রিমান্ড পেয়েছে আদালত থেকে।
- 📌 গ্রেপ্তারদের মধ্যে শিহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে আগে নরসিংদীর পলাশ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী মামলা ছিল।
- 📌 গ্রেপ্তারদের মধ্যে মারজুক আহমেদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা চলছে।
- 📌 গ্রেপ্তারদের মধ্যে ১২ জনের নাম: শিহাব উদ্দিন (৩২), মারজুক আহমেদ (২৬), সাইফুর রহমান খান (৩২), রাম্মি মিয়া (২৯), কামিছুল ইসলাম (৩৬), সাজ্জাদ হোসেন (২২), আফিফ আহমেদ (২০), মোহাইমিনুল হক (২৭), জাওজি চৌধুরী (১৯), শাহাদাত হোসেন (২৫), সাকিব আহমেদ (২৬), জুনায়েদ আহমেদ (২১)।
- 📌 পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারদের ‘মিটআপ’ নামের একটি গোপন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছিল, যেখানে তারা উগ্রবাদী কথাবার্তা প্রচার করতেন।
- 📌 গ্রেপ্তারদের অভিভাবকরা দাবি করেছেন, তাদের সন্তান উগ্রবাদে জড়িত নয়।
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর তেজগাঁও কলেজ মসজিদ এলাকায় সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট সিটিটিসির কর্মকর্তারা অভিযান চালিয়ে ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেন। এর মধ্যে ১১ জনকে মুচলেকা দিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বাকি ১২ জনকে শেরেবাংলা নগর থানার একটি জিডির সূত্র ধরে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পুলিশের পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ তাদের প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন, কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান তিন দিনের রিমান্ড দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী আজিজুল হক দিদার রিমান্ড আবেদন পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। আসামিদের পক্ষে আইনজীবী মাসুদ-উর-রহমান রিমান্ড আবেদন বাতিল করে জামিনের আবেদন জানান। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই গ্রুপের সদস্যরা দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করার পরিকল্পনা করতেন। তাদের ব্যবহৃত মুঠোফোন, সিম কার্ড ও অন্যান্য ডিজিটাল প্রমাণ উদ্ধার এবং সাইবার তথ্য বিশ্লেষণ করার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হয়।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে শিহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে আগে নরসিংদীর পলাশ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা ছিল। এছাড়াও মারজুক আহমেদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা চলছে। গ্রেপ্তারদের অভিভাবকরা দাবি করেছেন, তাদের সন্তান উগ্রবাদে জড়িত নয়। আফিফ আহমেদের বাবা কবির হোসেন বলেছেন, তাঁর ছেলে মাদ্রাসা থেকে হিফজ শেষ করেছেন এবং কোনো উগ্রবাদের সঙ্গে জড়িত নয়।
"সিটিটিসি তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জানতে পেরেছিল, দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করা, উগ্রবাদ ছড়ানো এবং সহিংসতা ঘটানোর উদ্দেশ্যে এই গ্রুপের সদস্যরা একত্রিত হয়েছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার তেজগাঁও কলেজ মসজিদ এলাকা, শেরেবাংলা নগর থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিহাব উদ্দিন, মারজুক আহমেদ, সাইফুর রহমান খান, সাজ্জাদ হোসেন, শাহাদাত হোসেন, জাওজি চৌধুরী, মাসুদ-উর-রহমান, আখতার মোর্শেদ, ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ জন গ্রেপ্তার, ১১ জন মুচলেকা দিয়ে ছাড়া, ১২ জন রিমান্ডে, ৩২ বছর (শিহাব উদ্দিন), ২৬ বছর (মারজুক আহমেদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!