📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চুয়াডাঙ্গা ক্লিনিকে অপারেশন টেবিলে রোগী মারা যাওয়ার অভিযোগ, স্বজনরা ভাঙচুর করে ক্লিনিক

চুয়াডাঙ্গা ক্লিনিকে অপারেশন টেবিলে রোগী মারা যাওয়ার অভিযোগ, স্বজনরা ভাঙচুর করে ক্লিনিক

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চুয়াডাঙ্গার উপশম নার্সিং হোম ক্লিনিকে পিত্তপাথর অপারেশনের সময় রবগুল মোল্লা (৪৮) মারা যান বলে অভিযোগ। স্বজনরা ক্লিনিকে ভাঙচুর করে এবং সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি বলেছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সুবদিয়া গ্রামের খেজমত মোল্লার ছেলে রবগুল মোল্লা (৪৮) পিত্তথলিতে পাথরের অস্ত্রোপচারের সময় ক্লিনিকে অপারেশন টেবিলেই মৃত্যুবরণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটে এবং স্বজনদের উত্তেজনা থেকে ক্লিনিক ভাঙচুরের শিকার হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চুয়াডাঙ্গার উপশম নার্সিং হোম ক্লিনিকে পিত্তপাথর অপারেশনের সময় রবগুল মোল্লা (৪৮) মারা যান বলে অভিযোগ
  • 📌 স্বজনরা অভিযোগ করেন, অপারেশন চলাকালে চিকিৎসক ও অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক রোগীকে ছেড়ে পালিয়ে যান
  • 📌 নিহতের বোন সখেনা খাতুন বলেন, ‘অপারেশনের সময় ডাক্তার তন্ময় শুধু ছোটাছুটি করতেন, পরে হঠাৎ পালিয়ে যান’
  • 📌 স্বজনরা ক্লিনিকে ভাঙচুর করে এবং সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে
  • 📌 চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মারুফ রহমান বলেছেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

📰 বিস্তারিত

গত শুক্রবার বিকেল ২টায় রবগুল মোল্লাকে চুয়াডাঙ্গার উপশম নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়। পরে শনিবার বিকেল ৩টায় অপারেশন শুরু হয়। নিহতের বোন সখেনা খাতুন জানান, ‘আমার ভাইকে অপারেশন টেবিলেই মারা যেতে দেখেছি। ডাক্তার তন্ময় অপারেশনের সময় শুধু ছোটাছুটি করতেন। পরে তিনি হঠাৎ অপারেশন থিয়েটার থেকে বের হয়ে যান। পরে জানতে পারি, আমার ভাই মারা গেছেন।’

নিহতের ভাতিজি চুমকি খাতুন বলেন, ‘আমার চাচার মৃত্যুর সঠিক বিচার চাই। এই ডাক্তারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’ রোগীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্লিনিকে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। স্বজনরা দফায় দফায় ক্লিনিকে ভাঙচুর করে। এদিকে সাংবাদিকদের ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তাদের কাজে বাধা দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ রহমান বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অভিযোগ পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

"অপারেশনের সময় আমার ভাইকে টেবিলেই মেরে ফেলে ডাক্তাররা। অপারেশন চলাকালে ডাক্তার তন্ময়কে শুধু ছোটাছুটি করতে দেখেছি। পরে তিনি হঠাৎ অপারেশন থিয়েটার থেকে বের হয়ে চলে যান। পরে জানতে পারি, আমার ভাই মারা গেছে।"
"আমার চাচার মৃত্যুর সঠিক বিচার চাই। এই ডাক্তারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা, সুবদিয়া গ্রাম, উপশম নার্সিং হোম ক্লিনিক
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবগুল মোল্লা (৪৮), সখেনা খাতুন, চুমকি খাতুন, ডাক্তার এহসানুল হক তন্ময়, ওসি মারুফ রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৮ বছর (রবগুল মোল্লার বয়স), ২ টা (অপারেশন সময়), ৩ টা (অপারেশন শুরু সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖