📌 জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে মক্তব শিক্ষক ইমাম মুছা মিয়া ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড পেয়েছেন। ২০২০ সালে ১৫ বছর বয়সী ছাত্রীকে মসজিদে ধর্ষণ করে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় মক্তব শিক্ষক ইমাম মুছা মিয়া ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড পেয়েছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত-১ রবিবার (২৫ অক্টোবর) এই দণ্ডাদেশ প্রদান করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় মক্তব শিক্ষক ইমাম মুছা মিয়া ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন
- 📌 অভিযুক্তকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডেরও দণ্ডিত করা হয়েছে
- 📌 ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর ১৫ বছর বয়সী ছাত্রীকে মসজিদে ধর্ষণ করা হয়
- 📌 মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পর রায় ঘোষণা করা হয়
- 📌 বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহিম রায় ঘোষণা করেন
📰 বিস্তারিত
জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহিম রবিবার দুপুরে এই রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ি মণ্ডলপাড়া জামে মসজিদে পরিচালিত মক্তবে ইমাম মুছা মিয়া শিক্ষকতা করতেন। তিনি গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার মুছা মিয়া মসজিদের মক্তব পরিচালনা করতেন।
২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর, মক্তবের ছাত্রী হিসেবে ১৫ বছর বয়সী স্থানীয় কিশোরীকে মসজিদের ভেতরে কৌশলে ধর্ষণ করেন ইমাম মুছা মিয়া। এই ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় দীর্ঘ শুনানি শেষে ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পর আসামির উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করা হয়।
"জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ি মণ্ডলপাড়া জামে মসজিদে শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষার জন্য মক্তব পরিচালিত হয়। পার্শ্ববর্তী জেলা গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার মুছা মিয়া মসজিদের মক্তবটি পরিচালনা করতেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা, সানন্দবাড়ি মণ্ডলপাড়া জামে মসজিদ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমাম মুছা মিয়া, অ্যাডভোকেট ফজলুল হক, বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ লাখ টাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর, ১৫ বছর, ১০ জন সাক্ষী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!