📌 বুলগেরিয়ার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কোনো প্রার্থী প্রথম পর্বে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পায়নি। বর্তমান রাষ্ট্রপতি ইলিয়ানা ইওতোভা ৩৫-৩৬.৫ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় পর্বে যাচ্ছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ড্রে গিউরভ ৩১-৩৩.৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। ভোটার অংশগ্রহণ মাত্র ২২.২ শতাংশে নেমে এসেছে
বুলগেরিয়ার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রথম পর্বে কোনো প্রার্থী ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পায়নি। ফলে নির্বাচন দ্বিতীয় পর্বে যাচ্ছে। বর্তমান রাষ্ট্রপতি ইলিয়ানা ইওতোভা ৩৫ থেকে ৩৬.৫ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় পর্বে অগ্রসর হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ড্রে গিউরভ ৩১ থেকে ৩৩.৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ১ নভেম্বর।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বুলগেরিয়ার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রথম পর্বে ভোটার অংশগ্রহণ মাত্র ২২.২ শতাংশে নেমে এসেছে, যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে সর্বনিম্ন।
- 📌 বর্তমান রাষ্ট্রপতি ইলিয়ানা ইওতোভা ৩৫ থেকে ৩৬.৫ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় পর্বে অগ্রসর হন, যেখানে তিনি মুখোমুখি হবে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ড্রে গিউরভের।
- 📌 গিউরভ ৩১ থেকে ৩৩.৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন এবং তিনি বলেছেন, ‘বুলগেরিয়া ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে হবে, একটি স্বাধীন, গর্বিত ইউরোপীয় দেশ হতে হবে’।
- 📌 নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ‘এই নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে, কোনো ভোট কেনা বা ভোট ম্যানিপুলেশন দেখা যায়নি’।
- 📌 বুলগেরিয়ার রাষ্ট্রপতি পদে ২৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। প্রথম পর্বে কোনো প্রার্থী ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেলে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতেন।
📰 বিস্তারিত
বুলগেরিয়ার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রথম পর্বে ভোটার অংশগ্রহণ মাত্র ২২.২ শতাংশে নেমে এসেছে। এই নির্বাচনে ২৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং কোনো ভোট কেনা বা ভোট ম্যানিপুলেশন দেখা যায়নি। বুলগেরিয়ার অভ্যন্তর মন্ত্রী ইভান ডেমেরজিয়েভ বলেছেন, ‘এই নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে, কোনো ভোট কেনা বা ভোট ম্যানিপুলেশন দেখা যায়নি’।
বর্তমান রাষ্ট্রপতি ইলিয়ানা ইওতোভা ৩৫ থেকে ৩৬.৫ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় পর্বে অগ্রসর হন। তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে বুলগেরিয়ার সম্পর্কের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন এবং রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের দাবি করেছেন। ইওতোভা বলেছেন, ‘আমি দরিদ্রতার এই গুরুতর সমস্যা এবং অঞ্চলীয় বৈষম্যের সমাধান করতে চাই’। তিনি আরও বলেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, শান্তি, স্থায়িত্ব এবং নিরাপত্তা থাকতে হবে’।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ড্রে গিউরভ ৩১ থেকে ৩৩.৫ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় পর্বে অগ্রসর হন। তিনি ইউক্রেনের সাথে নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন এবং বলেছেন, ‘আমরা একটি ইউরোপীয়, স্বাধীন এবং গর্বিত দেশের দিকে যেতে চাই’। তিনি ইওতোভাকে দ্বিতীয় পর্বের আগে একটি বিতর্কে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
বুলগেরিয়ার রাষ্ট্রপতি পদ মূলত সার্বিকভাবে সাংবিধানিক ভূমিকা পালন করে, তবে রাষ্ট্রপতি বুলগেরিয়ার সশস্ত্র বাহিনীকে নেতৃত্ব দেন এবং আইন প্রণয়নকে বাতিল করতে পারেন এবং চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন।
"এই নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে, কোনো ভোট কেনা বা ভোট ম্যানিপুলেশন দেখা যায়নি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বুলগেরিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বর্তমান রাষ্ট্রপতি ইলিয়ানা ইওতোভা, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ড্রে গিউরভ, অভ্যন্তর মন্ত্রী ইভান ডেমেরজিয়েভ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২.২ শতাংশ (ভোটার অংশগ্রহণ), ৩৫-৩৬.৫ শতাংশ (ইওতোভার ভোট), ৩১-৩৩.৫ শতাংশ (গিউরভের ভোট), ২৭ জন (প্রার্থী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!