📌 হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে লাগেজ সংকটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে সাবেক সেনা মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-৫। বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ও জামায়াতে যোগদানের পর তিনি কারাগারে আছেন
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলির সংকটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে সাবেক সেনা মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-৫। বিচারক মো. সাদেকীন হাবীব বাপ্পী আজ সোমবার শুনানিতে জামিন প্রত্যাখ্যানের আদেশ দেন। এই মামলায় আখতারুজ্জামান কারাগারে আছেন এবং তার পক্ষের আইনজীবী শিশির মনির ও আবদুর রাজ্জাকসহ জামিন চেয়েছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামিন প্রত্যাখ্যান: হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে সাবেক মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে আদালত।
- 📌 অভিযোগের বিস্তারিত: ১ অক্টোবর রাতে বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলির সংকটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল উদ্দিনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে মামলা করা হয়।
- 📌 গ্রেপ্তার ও কারাগার: ২ অক্টোবর গ্রেপ্তার, ৩ অক্টোবর রিমান্ডে নেওয়া এবং ৪ অক্টোবর কারাগারে পাঠানো হয় আখতারুজ্জামানকে।
- 📌 বহিষ্কৃত ও দল পরিবর্তন: বিএনপি থেকে পঞ্চমবারের মতো বহিষ্কৃত আখতারুজ্জামান ২০২৪ সালে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।
- 📌 বিচারক ও আইনজীবীদের বক্তব্য: আসামিপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির বলেন, ঘটনায় কোনো ক্রিমিনাল কেস নেই, শুধু কথা-কাটাকাটি ছিল। রাষ্ট্রপক্ষের ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার আইন মানতে হবে।
📰 বিস্তারিত
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলির সংকটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে সাবেক সেনা মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-৫। বিচারক মো. সাদেকীন হাবীব বাপ্পী আজ সোমবার শুনানিতে জামিনের আবেদন প্রত্যাখ্যানের আদেশ দেন। শুনানিতে আখতারুজ্জামানের পক্ষের আইনজীবী শিশির মনির ও আবদুর রাজ্জাকসহ কয়েকজন জামিন চেয়েছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিনিধি ওমর ফারুক ফারুকী জামিনের বিরোধিতা করেন।
আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিমানবন্দরের সংরক্ষিত কেপিআই এলাকায় মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ শুরু করেন। সেখানে দায়িত্বরত নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন তাঁদের ভিডিও ধারণ করতে নিষেধ করেন। এতে আখতারুজ্জামান ক্ষিপ্ত হয়ে ওই কর্মকর্তাকে গালিগালাজ করেন এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। মামলায় সাধারণ যাত্রীদের সংগ্রহ করা পবিত্র জমজমের পানির বোতলের ক্ষতিসাধন এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক প্রতিনিধির সঙ্গে মারমুখী আচরণের অভিযোগও আনা হয়েছে।
আখতারুজ্জামান ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। কিন্তু ২০২৪ সালের নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত আখতারুজ্জামান ২০২৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।
"শুধু কথা-কাটাকাটি ছিল। এই মামলার ধারা জামিনের যোগ্য ধারা"
— শিশির মনির, আখতারুজ্জামানের পক্ষের আইনজীবী
"সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার আইনে কী আছে, সেটা মানেন। সেটা কি অন্যায় নয়?"
— ওমর ফারুক ফারুকী, রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিনিধি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, বিচারক মো. সাদেকীন হাবীব বাপ্পী, আইনজীবী শিশির মনির ও ওমর ফারুক ফারুকী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ অক্টোবর (মামলা), ২ অক্টোবর (গ্রেপ্তার), ৩ অক্টোবর (রিমান্ড), ৪ অক্টোবর (কারাগারে পাঠানো), ২০ ফেব্রুয়ারি (বহিষ্কৃত), ১৩ ডিসেম্বর (জামায়াতে যোগদান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!