📅 ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাইমা শিমু হত্যা মামলায় আসামিদের সাফাই সাক্ষ্য ১৯ নভেম্বর নিশ্চিত, এখনো ১৩ জনের সাক্ষ্য অপেক্ষায়

রাইমা শিমু হত্যা মামলায় আসামিদের সাফাই সাক্ষ্য ১৯ নভেম্বর নিশ্চিত, এখনো ১৩ জনের সাক্ষ্য অপেক্ষায়

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাইমা ইসলাম শিমু হত্যা মামলায় আসামি সাখাওয়াত আলী নোবেল ও ফরহাদ ১৯ নভেম্বর সাফাই সাক্ষ্য দেবেন। এ পর্যন্ত মোট ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি শিমুকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগে মামলা চলছে

ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত ১৯ নভেম্বর নির্ধারণ করেছে রাইমা ইসলাম শিমু হত্যা মামলায় আসামিদের সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ। সোমবার (২৬ অক্টোবর) আদালত সাখাওয়াত আলী নোবেল ও ফরহাদের জবানবন্দি গ্রহণের পর তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সাক্ষ্য দেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করে এই দিন নির্ধারণ করে। বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. শফিকুল ইসলাম সুমন জানান, মামলায় এ পর্যন্ত ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে রাইমা শিমু হত্যা মামলায় আসামিদের সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ
  • 📌 ২৬ অক্টোবর আদালত সাখাওয়াত আলী নোবেল ও ফরহাদের জবানবন্দি গ্রহণ করে তাদের সাক্ষ্য দেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করে
  • 📌 মামলায় ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২০ জনের সাক্ষ্য ইতিমধ্যে নেওয়া হয়েছে
  • 📌 ২০২২ সালের ১৬ জানুয়ারি সকাল ৭-৮ টার মধ্যে শিমুকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ
  • 📌 হরতপুর ইউনিয়ন এলাকায় ১৭ জানুয়ারি পাকা রাস্তার পাশে মরদেহ উদ্ধার করা হয়

📰 বিস্তারিত

২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি সকাল ১০ টার পর ঢাকার কেরানীগঞ্জের হযরতপুর ইউনিয়নের আলীপুর ব্রিজ থেকে প্রায় ৩০০ গজ উত্তর দিকে পাকা রাস্তার পাশের ঝোপ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে মরদেহটি চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর বলে শনাক্ত হয়। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, দাম্পত্য কলহের কারণে ১৬ জানুয়ারি সকাল ৭-৮ টার মধ্যে শিমুকে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় তার ভাই হারুনুর রশীদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন।

২০২২ সালের ২৯ আগস্ট মামলাটি তদন্ত শেষে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম নোবেল ও ফরহাদকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ২৯ নভেম্বর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয়। সোমবার আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের জবানবন্দি গ্রহণের পর তাদের সাক্ষ্য দেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করে ১৯ নভেম্বর সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করে।

"আদালত সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৯ নভেম্বর দিন নির্ধারণ করেছেন। এদিন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় দুই আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে।" — মো. শফিকুল ইসলাম সুমন, বাদীপক্ষের আইনজীবী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত), কেরানীগঞ্জ (হযরতপুর ইউনিয়ন)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাইমা ইসলাম শিমু, সাখাওয়াত আলী নোবেল, এস এম ফরহাদ, মো. শফিকুল ইসলাম সুমন, হারুনুর রশীদ, শহিদুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ নভেম্বর, ২৬ অক্টোবর, ৩৪২ ধারা, ৩৩ জন সাক্ষী, ২০ জন সাক্ষ্য নেওয়া, ১৭ জানুয়ারি, ৩০০ গজ, ৩২ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖