📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ের মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামির রায়ে আদালত অবমাননার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী ট্রাইব্যুনালে ক্ষমা চেয়েছেন। তাদের আইনজীবী বলেছেন, তারা অনুতপ্ত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া মন্তব্য মুছে ফেলেছেন
সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ের মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামির রায়ে আদালত অবমাননার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। সোমবার ট্রাইব্যুনালে শুনানির সময় তারা তাদের অনুতাপ প্রকাশ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অভিযোগের কারণ: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ের মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামির রায়ে আদালত অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়।
- 📌 আসামিরা: সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. হাসানুজ্জামান তুষার ও মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী অভিযোগের মুখোমুখি হন।
- 📌 ক্ষমা চাওয়ার দাবি: তারা ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে বলেছেন, ‘আমরা অনুতপ্ত এবং ক্ষমা চাই’।
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট: তাদের মন্তব্য মুছে ফেলা হয়েছে, বলেছেন তাদের আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী।
- 📌 শুনানির তারিখ: পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে ২৫ জানুয়ারি।
📰 বিস্তারিত
গত ১৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছিল। এ রায়ে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ) এই দুই আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। শুনানির সময় আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী বলেন, তাঁদের মক্কেলরা ভুল বুঝতে পেরেছেন এবং তারা যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেছেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক বলেন, যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করা ব্যক্তিদের ভদ্রতা শেখানো হয়, কিন্তু তাদের মন্তব্য সেই মানদণ্ডে পৌঁছায়নি।
শুনানির সময় আইনজীবী মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী বলেন, ‘আমরা অনুতপ্ত। আমরা ক্ষমা চাই’। আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী বলেন, আসামিরা তাদের বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য সময় চান। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামও সময় দেওয়ার পক্ষে মত দেন। পরে ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করে ২৫ জানুয়ারি।
"আমাদের পোলাইট (ভদ্র বা নম্র) হওয়া উচিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. হাসানুজ্জামান তুষার, মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, মনসুরুল হক চৌধুরী, চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ জানুয়ারি (পরবর্তী শুনানির তারিখ), ১৫ সেপ্টেম্বর (মৃত্যুদণ্ডের রায়ের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!