📌 চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক এমপি ফজলে করিম চৌধুরী ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আদালত ২০২৭ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত তদন্ত সময়সীমা বাড়িয়ে দেয়। গুম ও হত্যার ঘটনায় এই সিদ্ধান্ত নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২
চট্টগ্রামের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রবিবার (২৫ অক্টোবর) একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়। চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা ২০২৭ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয় আদালত। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দু’জনকে জড়িত করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার তদন্ত প্রক্রিয়াটি আরো দীর্ঘায়িত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৭ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয় আদালত ফজলে করিম-জিয়াউল মামলার তদন্ত সময়সীমা
- 📌 ২০১০ সালে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু জাফরকে গুম করে হত্যা করা হয় — এই ঘটনায় দু’জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ
- 📌 ২০২৬ সালের ১৯ এপ্রিল ফজলে করিম ও জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এই মামলায়
- 📌 জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান সময় চট্টগ্রামে ছাত্রদল নেতা ওয়াসিমসহ হত্যার অভিযোগে ফজলে করিমের বিচার চলছে
- 📌 জিয়াউল আহসান আরেকটি গুম-খুন মামলায় গ্রেপ্তার, সেখানে ইতোমধ্যে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রবিবার (২৫ অক্টোবর) একটি গুরুত্বপূর্ণ আদেশ জারি করে। আদালত ২০২৭ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা বাড়িয়ে দেয়। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দু’জনের বিরুদ্ধে চলমান তদন্ত প্রক্রিয়াটি আরো দীর্ঘায়িত হয়।
প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, এই মামলার মূল ঘটনা ঘটে ২০১০ সালে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু জাফরকে গুম করে হত্যা করা। এই ঘটনায় ফজলে করিম চৌধুরী ও জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন। প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৯ এপ্রিল এই মামলায় ফজলে করিম চৌধুরী ও জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এই দু’জনকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলায়ও জড়িত করা হয়েছে। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় চট্টগ্রামে ছাত্রদল নেতা ওয়াসিমসহ বেশ কয়েকজনকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের আরেকটি মামলায় ফজলে করিম চৌধুরীর বিচার চলছে। ওই মামলায়ও তিনি গ্রেপ্তার রয়েছেন। এছাড়া, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম ও খুনের ঘটনায় করা আরেকটি মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন জিয়াউল আহসান। ওই মামলায় ইতোমধ্যে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।
"২০১০ সালে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু জাফরকে গুম করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় ফজলে করিম চৌধুরী ও জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, রাউজান উপজেলা, বাগোয়ান ইউনিয়ন পরিষদ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, জিয়াউল আহসান, সৈয়দ আবু জাফর, ওয়াসিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৭ (বছর), ৪ (জানুয়ারি), ২৫ (অক্টোবর), ২০১০ (ঘটনার বছর), ৬ (চট্টগ্রাম আসন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!