📅 ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৫৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মোহাম্মদপুরে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি: ৬ জন গ্রেপ্তার, ডিজিএফআই সদস্যসহ

মোহাম্মদপুরে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি: ৬ জন গ্রেপ্তার, ডিজিএফআই সদস্যসহ

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মোহাম্মদপুরে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। ঘটনায় ডিজিএফআই’র দুই সদস্যসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে মারধর করা হয় এবং ৭০ হাজার টাকা আদায় করা হয়

মোহাম্মদপুরে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। ঘটনায় ডিজিএফআই’র দুই সদস্যসহ মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী মো. শরিফের শরীরে মারধর ও জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মোহাম্মদপুরের ভাষানটেক এলাকায় ব্যবসায়ী মো. শরিফকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
  • 📌 ভুক্তভোগীকে মারধর করে ৭০ হাজার টাকা আদায় করা হয় এবং তার শরীরে জখম হয়।
  • 📌 ডিজিএফআই’র সার্জেন্ট আল মামুন, ল্যান্স কর্পোরাল মো. নুরুজ্জামানসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
  • 📌 আনসার সদস্য সোহেল রানাও গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনায় জড়িত সাদা টয়োটা প্রোবক্স গাড়িও জব্দ করা হয়।
  • 📌 মামলায় চাঁদাবাজি, মারধর ও অপহরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

📰 বিস্তারিত

মোহাম্মদপুরের ভাষানটেক এলাকায় মোটরসাইকেল কেনার কথা বলে এক ব্যবসায়ীকে বাসায় ডেকে নিয়ে আটকে রাখা হয়। ভুক্তভোগী মো. শরিফের কথায়, দুর্বৃত্তরা তাকে মারধর করে ৭০ হাজার টাকা আদায় করে। এরপর তাকে ‘অপহরণ করে’ একটি প্রাইভেটকারে তুলে অন্যত্র নিয়ে যায়। শেরেবাংলা নগর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, শনিবার রাতে তাদের নিয়মিত চেকপোস্টে ভুক্তভোগী পুলিশের সহায়তা চান। পুলিশ সেখানে পাঁচজনকে আটক করে এবং ঘটনার সূত্রপাত মোহাম্মদপুরে হওয়ায় মামলা মোহাম্মদপুর থানায় করা হয়।

ভুক্তভোগী মো. শরিফের মোটরসাইকেল কেনাবেচার ব্যবসা রয়েছে। তিনি ভাষানটেক এলাকায় প্রতিবেশী আনসার সদস্য সোহেল রানার সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। গত শনিবার রাতে সোহেলের কথামতো মোটরসাইকেল কেনার উদ্দেশ্যে তিনি মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা মডেল টাউনে যান। সেখানে সোহেল তাকে একটি বাসার ষষ্ঠ তলার ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর সার্জেন্ট আল মামুন, ল্যান্স কর্পোরাল মো. নুরুজ্জামান, নিরাপত্তাপ্রহরী মুকুল গাজী ও সোনিয়া নামে এক নারী ওই বাসায় প্রবেশ করেন। তারা শরিফকে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।

ভুক্তভোগী শরিফের পরিবারের সদস্যদের ফোন করে টাকা সংগ্রহের চেষ্টা চালান। পরে শনিবার রাত পৌনে ৩টার দিকে তাকে বাসা থেকে নামিয়ে একটি সাদা রঙের টয়োটা প্রোবক্স গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। গাড়িতে ছিলেন মাহফুজুর রহমান ও জিয়াউল ইসলাম রামে আরও দুজন। শরিফকে শ্যামলীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের বিপরীত পাশে নিয়ে গাড়িতে আটকে রাখা হয়। অভিযুক্তরা চা পান করতে নামলে পুলিশের গাড়ি দেখে শরিফ গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে নেমে যান। পরে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশকে ঘটনা জানান।

"ওই সময় আমাকে মারধর করে ৭০ হাজার টাকা আদায় করা হয়। পরে আমাকে অপহরণ করে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মোহাম্মদপুর, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শরিফ (ভুক্তভোগী), সার্জেন্ট আল মামুন, ল্যান্স কর্পোরাল মো. নুরুজ্জামান, সোহেল রানা (আনসার সদস্য)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ টাকা (চাঁদা), ৭০ হাজার টাকা (আদায়), ৬ জন (গ্রেপ্তার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖