📌 ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় আসামি স্বীকার করেন, তাঁর শালা-সম্বন্ধীরা পরীক্ষার্থী ছিলেন। সাত আসামির রিমান্ড মঞ্জুর হয়
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় আসামিরা বিচারকের প্রশ্নে স্বীকার করেন, তাঁদের শালা-সম্বন্ধীরা পরীক্ষার্থী ছিলেন। আজ রোববার আদালতে শুনানিতে এক আসামি বলেন, তাঁর শালা-সম্বন্ধীরা পরীক্ষার্থী ছিলেন। বিচারক জানতে চান, এত প্রবেশপত্র কেন এবং এগুলো দিয়ে আসামি কী করতে চেয়েছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাত আসামির রিমান্ড মঞ্জুর: প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় সাত আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
- 📌 শালা-সম্বন্ধীরা পরীক্ষার্থী: বিচারকের প্রশ্নে এক আসামি স্বীকার করেন, তাঁর শালা-সম্বন্ধীরা পরীক্ষার্থী ছিলেন।
- 📌 ১০ লাখ টাকার চুক্তি: আসামিরা ১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন ও উত্তর সরবরাহের চুক্তি করেছিলেন।
- 📌 জব্দকৃত প্রমাণ: ১১৬টি স্ট্যাম্প, ১০টি সনদ, ৪০ জনের ব্যাংক চেক ও চেক বই জব্দ করা হয়।
- 📌 সক্রিয় সদস্য: আসামিরা বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সদস্য।
📰 বিস্তারিত
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে শুনানিতে আসামিরা বিচারকের প্রশ্নে স্বীকার করেন, তাঁদের শালা-সম্বন্ধীরা পরীক্ষার্থী ছিলেন। বিচারক জানতে চান, এত প্রবেশপত্র কেন এবং এগুলো দিয়ে আসামি কী করতে চেয়েছিলেন। আসামিরা হলেন মো. মফিজুল ইসলাম (২৭), মো. রুবেল ইসলাম (৩৩), মো. হাসিনুর রহমান ওরফে সুজন (৩২), আসাদুল ইসলাম (৩১), এস এম এমদাদুল রহমান (৩৫), মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩৮) ও নূর মোহাম্মদ (৩০)।
১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার কিছু সময় আগে ফেসবুকে প্রশ্নপত্র ও উত্তর ছড়িয়ে পড়ে। পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে প্রশ্নপত্র ফাঁসে যুক্ত থাকার অভিযোগে এই সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের তদন্তে বেরিয়ে আসে, ১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন ও উত্তর পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে চুক্তি করেছিলেন। আসামিদের কাছ থেকে ১০০ টাকার ১১৬টি স্ট্যাম্প, চাকরিপ্রার্থীদের ১০টি সনদ, ৪০ জনের ব্যাংক চেকের পাতা ও ব্যাংকের চেক বই জব্দ করা হয়।
আজ দুপুরে সাত আসামিকে আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. মোহাইমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, আসামিরা বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সক্রিয় সদস্য। তাঁরা চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও চেকের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ নিয়ে পরীক্ষার আগে প্রশ্ন সরবরাহ এবং প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করিয়ে দেওয়ার চুক্তি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
আদালতে আসামি এমদাদুল রহমানের পক্ষে শুনানি করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আইনবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম। তিনি বলেন, এই আসামি এজাহারভুক্ত না। তাঁর কাছ থেকে কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তিনি নির্দোষ। তাঁকে হয়রানি করার জন্য এই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
"শুধু রিমান্ড আবেদন করলেই রিমান্ড হয়ে যায় না। আদালত এগুলো বুঝে ভালোমতো। মনে করেছে রিমান্ড আবেদন করলেই হয়ে যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মফিজুল ইসলাম, মো. রুবেল ইসলাম, মো. হাসিনুর রহমান, আসাদুল ইসলাম, এস এম এমদাদুল রহমান, মো. জাহাঙ্গীর আলম, নূর মোহাম্মদ, বিচারক জশিতা ইসলাম, খোরশেদ আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন আসামি, ২ দিনের রিমান্ড, ১০ লাখ টাকা, ১১৬টি স্ট্যাম্প, ১০টি সনদ, ৪০ জনের ব্যাংক চেক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!