📌 সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য খুলেছে। রাতযাপন শুধু ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে অনুমোদিত। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার পর্যটক যেতে পারবেন এবং প্রত্যেকের ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে। ট্রাভেল পাস বাধ্যতামূলক এবং গত বছরের মতো পরিবেশ বিধিনিষেধও বহাল রয়েছে
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ২০২৬-২৭ মৌসুমে পর্যটকদের জন্য আবার খুলেছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত দ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াতের সুযোগ থাকবে। তবে রাতযাপনের সুযোগ শুধুমাত্র ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে থাকবে। এছাড়াও, প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার পর্যটক দ্বীপে প্রবেশ করতে পারবেন এবং প্রত্যেকের ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি প্রদান করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সেন্ট মার্টিন ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য খুলেছে।
- 📌 রাতযাপন অনুমোদিত শুধুমাত্র ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে।
- 📌 প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার পর্যটক দ্বীপে যেতে পারবেন।
- 📌 প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি প্রদান করতে হবে।
- 📌 ট্রাভেল পাস বাধ্যতামূলক।
- 📌 কক্সবাজার থেকে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে জাহাজ ছাড়বে।
- 📌 গত বছরের মতো পরিবেশ বিধিনিষেধ বহাল রয়েছে, যেমন: রাতে আলো জ্বালানো নিষিদ্ধ, শব্দ সৃষ্টি ও বারবিকিউ পার্টি বন্ধ।
📰 বিস্তারিত
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ২৫ অক্টোবর জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, সেন্ট মার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াতের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। তবে রাতযাপনের ক্ষেত্রে গত বছরের নিয়মই বহাল রয়েছে। অর্থাৎ, নভেম্বর মাসে পর্যটকদের শুধু দিনের বেলায় দ্বীপে যেতে হবে এবং একই দিন ফিরে আসতে হবে। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে রাতযাপনের সুযোগ থাকবে।
মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান জানান, ‘আগের প্রজ্ঞাপনে যা ছিল, সেটাই অনুসরণ করা হবে।’ তিনি বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য বিধিনিষেধগুলি অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
সেন্ট মার্টিনে যেতে পর্যটকদের ট্রাভেল পাস নিতে হবে। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের একজন কর্মকর্তা জানান, গতবারের মতো এবারও ট্রাভেল পাস বাধ্যতামূলক। কারিগরি প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
গত বছরের মতো, দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। যেমন:
- রাতে সমুদ্রসৈকত ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আলো জ্বালানো নিষিদ্ধ।
- শব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টি আয়োজন নিষিদ্ধ।
- কেয়াবনে প্রবেশ এবং কেয়া ফল সংগ্রহ, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ।
- সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস, শৈবালসহ জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা যাবে না।
- সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইক চালানো নিষিদ্ধ।
"আগের প্রজ্ঞাপনে যা ছিল, সেটাই অনুসরণ করা হবে।"
— সাবরীনা রহমান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ, কক্সবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবরীনা রহমান (জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ হাজার (দৈনিক সর্বোচ্চ পর্যটক), ১০০ টাকা (পরিবেশ সংরক্ষণ ফি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!