📌 বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে স্তূপীকৃত প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য ১৫ দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আদেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে
হাইকোর্টের নির্দেশে রাজধানীর লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানার ইসলামবাগ এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে জমে থাকা প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য ১৫ দিনের মধ্যে অপসারণ করতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান, ঢাকার জেলা প্রশাসক এবং সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রতি এই আদেশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বুড়িগঙ্গা তীরের প্লাস্টিক ও বর্জ্য অপসারণে ১৫ দিন সময় বেঁধে দিয়েছেন হাইকোর্ট
- 📌 আদেশ পালনে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে
- 📌 ২০১০ সালের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে বুড়িগঙ্গার তীরে বর্জ্য ফেলা নিষিদ্ধ ছিল
- 📌 সম্পূরক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদেশ দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইআরপিবি) করা সম্পূরক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এই আদেশ দেন। আদেশ অনুসারে, ইসলামবাগ এলাকায় শত শত প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য ফেলে রাখার বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর এই আবেদন করা হয়।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ, যাকে সহায়তা করেন আইনজীবী সঞ্জয় মন্ডল ও নাছরিন সুলতানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খাঁন জিয়াউর রহমান।
মনজিল মোরসেদ বলেন, বুড়িগঙ্গার পানিদূষণের কারণে ঢাকার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ২০১০ সালে হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশনার পরও ইসলামবাগ এলাকায় বর্জ্য ফেলা অব্যাহত রয়েছে, যা নদীর দূষণ আরও বাড়িয়ে তুলছে।
"বুড়িগঙ্গার পানিদূষণ রোধে হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। তাই সম্পূরক আবেদনের মাধ্যমে আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হয়েছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামবাগ, লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনজিল মোরসেদ, বিচারপতি আহমেদ সোহেল, বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ দিন, ১৯ আগস্ট, ৩০ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!