📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাবি শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদ: তিন অধ্যাপক বরখাস্ত ও তদন্ত কমিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ

ঢাবি শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদ: তিন অধ্যাপক বরখাস্ত ও তদন্ত কমিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন অধ্যাপককে সাময়িক বরখাস্ত ও তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে শিক্ষক সমিতি। অভিযোগ করা হয়েছে, তদন্ত প্রক্রিয়া অস্বচ্ছ ও পূর্বনির্ধারিত। একই সঙ্গে অধ্যাপক ড. শবনম জাহানের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটিরও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট কর্তৃক শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের তিন অধ্যাপককে সাময়িক বরখাস্ত এবং তাঁদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গঠনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। একই সঙ্গে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. শবনম জাহানের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাময়িক বরখাস্ত তিন অধ্যাপক: ড. এম অহিদুজ্জামান, ড. মাহবুবুর রহমান ও ড. মো. মশিউর রহমান
  • 📌 তাঁদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গঠনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায় শিক্ষক সমিতি
  • 📌 অধ্যাপক ড. শবনম জাহানের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠনেরও বিরোধিতা করেছে সংগঠনটি
  • 📌 গত ৩১ আগস্ট সিন্ডিকেটের এসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বুধবার বিবৃতি দেয় শিক্ষক সমিতি

📰 বিস্তারিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ৩১ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট তিন অধ্যাপককে সাময়িক বরখাস্ত এবং তাঁদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। একই সঙ্গে অধ্যাপক ড. শবনম জাহানের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানায় শিক্ষক সমিতি।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রস্থল। এটি বিভিন্ন মত ও যুক্তির কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩’ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয় বলে উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

শিক্ষক সমিতি আরও জানায়, ১৯৭৩ সালের আদেশ অনুযায়ী কোনো তদন্ত কমিটিকে অভিযুক্ত শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে। একই সঙ্গে অভিযোগকারীদের সঙ্গে সরাসরি মুখোমুখি সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে অভিযোগ খণ্ডনের সুযোগ দেওয়ার নীতিও অনুসরণ করতে হবে। তবে শিক্ষক সমিতির অভিযোগ, বর্তমান ও পূর্ববর্তী প্রশাসনের তদন্ত কমিটিগুলোতে এসব নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি।

শিক্ষক সমিতি আরও অভিযোগ করে, পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটির সব সদস্যের উপস্থিতি ও মতামত গ্রহণ করে প্রতিবেদন দেওয়ার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। অভিযুক্ত শিক্ষকদের প্রতিনিধিকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ার বিষয়টি অবহিত না করেই সিন্ডিকেটে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানায় সংগঠনটি।

"এ ধরনের তদন্ত কমিটি প্রকৃত তদন্ত কমিটি নয়, বরং ফরমায়েশি কমিটি। এসব কমিটির প্রতিবেদন পূর্বনির্ধারিত ও একপাক্ষিক।"

শিক্ষক সমিতির ভাষ্য, প্রহসনমূলক ও অস্বচ্ছ তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট একের পর এক শিক্ষক বরখাস্তের যে কৌশল নিয়েছে, তা পূর্ববর্তী কর্তৃপক্ষের প্রবর্তিত ‘প্রশাসনিক মবতন্ত্র’-এরই ধারাবাহিকতা। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিপীড়নের ‘নিম্নমানের রাজনৈতিক সংস্কৃতি’ চালু হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া, অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন অধ্যাপক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖