📌 দুদক মুখপাত্র আকতারুল ইসলামের সংশোধিত বক্তব্যে জানা গেছে, আসিফ মাহমুদসহ চারজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেলেও পরবর্তীতে তা সংশোধন করা হয়
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মুখপাত্র আকতারুল ইসলাম তার পূর্ববর্তী বক্তব্য সংশোধন করে জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন অনিয়মে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুদকের মুখপাত্র আকতারুল ইসলাম প্রাথমিকভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগে অনুসন্ধানের কথা বললেও পরে তা সংশোধন করেন
- 📌 অভিযুক্ত চারজন হলেন— আসিফ মাহমুদ, মো. মাহবুব-উল-আলম, ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন ও মো. মাসুম আহমেদ
- 📌 যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছে
- 📌 আসিফ মাহমুদের সাবেক সহকারী মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে দুদকের মুখপাত্র আকতারুল ইসলাম জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন অনিয়মে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। তিনি প্রাথমিকভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করলেও পরে তা সংশোধন করেন।
তিনি ক্ষুদেবার্তায় বলেন, 'কথা বলতে গিয়ে সম্ভবত প্রাথমিক সত্যতা শব্দ বলে ফেলেছি। প্রাথমিক সত্যতা শব্দটি ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ করছি।' এর আগে গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানিয়েছিলেন, যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুদক।
এদিকে, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনিয়ম-দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক। অভিযুক্ত অন্য তিনজন হলেন— যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন ও উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে চার সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছে।
এর আগে, আসিফ মাহমুদের সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করেছে দুদক। ক্ষমতার প্রভাব খাঁটিয়ে তদবির-বাণিজ্য এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে প্রায় ১১ মাস অনুসন্ধানের পর গত ফেব্রুয়ারিতে অভিযোগ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসিফ মাহমুদ, আকতারুল ইসলাম, মো. মাহবুব-উল-আলম, ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন, মো. মাসুম আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন অভিযুক্ত, ১৮৮ কর্মকর্তার বদলি, ১১ মাস অনুসন্ধান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!