📌 আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত হাইকোর্টের নির্দেশ স্থগিত করে দিয়েছে গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা বকেয়া কর আদায়ের জন্য। ১৩ ডিসেম্বর নিয়মিত বেঞ্চে শুনানি হবে। কর কমিশনারসহ বিবাদীদের প্রতি আদায়ের নির্দেশ ছিল হাইকোর্টের রায়ে
আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত আজ রোববার গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা বকেয়া কর আদায়ের জন্য হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশ স্থগিত করে দিয়েছে। পাঁচটি করবর্ষের বিপরীতে প্রদেয় কর দাবির পুনর্মূল্যায়নের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফিদা এম কামাল, আবদুল্লাহ আল মামুন ও সরদার জিন্নাত আলী উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিনিধি ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মেহেদি হাসান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬৬৬ কোটি টাকা বকেয়া কর আদায়ের জন্য হাইকোর্টের নির্দেশ স্থগিত করে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
- 📌 ১৩ ডিসেম্বর নিয়মিত বেঞ্চে শুনানি হবে গ্রামীণ কল্যাণের দুটি লিভ টু আপিলের বিষয়ে।
- 📌 ২০১২-১৭ করবর্ষের কর দাবি নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের নির্দেশনা স্থগিত করা হয়েছে।
- 📌 গ্রামীণ কল্যাণের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- 📌 হাইকোর্টের রায়ে কর কমিশনারসহ বিবাদীদের প্রতি আদায়ের নির্দেশ দেওয়া ছিল।
📰 বিস্তারিত
হাইকোর্টের পৃথক রায়ের বিরুদ্ধে গ্রামীণ কল্যাণের করা দুটি লিভ টু আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক আজ রোববার আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের তথ্যমতে, পাঁচটি করবর্ষের বিপরীতে গ্রামীণ কল্যাণের কাছে প্রদেয় কর দাবির পরিমাণ ৬৬৬ কোটি টাকা।
হাইকোর্টের পৃথক রায়ের বিরুদ্ধে গ্রামীণ কল্যাণের করা দুটি লিভ টু আপিলের শুনানি আজ চেম্বার আদালতে অনুষ্ঠিত হয়। বিচারপতি মো. রেজাউল হক আদেশ দেন যে, হাইকোর্টের নির্দেশনা স্থগিত করা হয়েছে। তবে ১৩ ডিসেম্বর নিয়মিত বেঞ্চে বিষয়টি শুনানির জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
গ্রামীণ কল্যাণের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ছিলেন। পুনর্মূল্যায়নের পর ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ করবর্ষের বিপরীতে প্রদেয় কর দাবি ঘিরে কর কমিশনারের সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে গ্রামীণ কল্যাণের করা দুটি রিট খারিজ করে গত ১০ সেপ্টেম্বর রায় দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
হাইকোর্টের রায়ে যত দ্রুত সম্ভব বকেয়া কর আদায়ের জন্য পদক্ষেপ নিতে বিবাদীদের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তে এই নির্দেশ স্থগিত করা হয়েছে।
"আপাতত অর্থ আদায়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। লিভ টু আপিল নিষ্পত্তির মধ্য দিয়ে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।"
— জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষে
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (আপিল বিভাগের আদালত)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি মো. রেজাউল হক, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মেহেদি হাসান, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৬৬ কোটি টাকা (বকেয়া কর), ১৩ ডিসেম্বর (শুনানি তারিখ), ১০ সেপ্টেম্বর (হাইকোর্টের রায় তারিখ), ১২ অক্টোবর (রায় প্রকাশ তারিখ), ১৫ ও ৩২ পৃষ্ঠা (রায়ের দৈর্ঘ্য), ৪২.৬৫% (লভ্যাংশের শতাংশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!