📅 ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সুনামগঞ্জের উপজেলা কর্মকর্তা জালিয়াতির দায়ে চাকরি থেকে বরখাস্ত: রাষ্ট্রপতি অনুমোদন

সুনামগঞ্জের উপজেলা কর্মকর্তা জালিয়াতির দায়ে চাকরি থেকে বরখাস্ত: রাষ্ট্রপতি অনুমোদন

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মজিবুর রহমানকে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধনে জালিয়াতির দায়ে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি গত ১১ অক্টোবর অনুমোদন দেন এবং ১৮ অক্টোবর ইসি সচিব আদেশ জারি করেন

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মজিবুর রহমানকে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধনে জালিয়াতির দায়ে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এনআইডি শাখার কর্মকর্তারা রোববার (১৮ অক্টোবর) এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন। রাষ্ট্রপতি গত ১১ অক্টোবর অনুমোদন প্রদান করে এই পদক্ষেপের পথ সুগম করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **জালিয়াতির দায়ে বরখাস্ত**: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মজিবুর রহমানকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।
  • 📌 **প্রমাণিত অপকর্ম**: কর্মকর্তা নিজে মিথ্যা তথ্য দিয়ে এনআইডি তৈরি এবং নিবন্ধন ফরমে অসত্য তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করেছিলেন।
  • 📌 **রাষ্ট্রপতির অনুমোদন**: গত ১১ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি অনুমোদন দেন এবং ১৮ অক্টোবর ইসি সচিব আখতার আহমেদ প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
  • 📌 **২০১৫ সাল থেকে তদন্ত**: ২০১৫ সালের ২৭ জানুয়ারি থেকে এই অভিযোগের তদন্ত শুরু হয় এবং পরবর্তীতে বিভাগীয় মামলায় তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়।
  • 📌 **বিপিএসসি পরামর্শ**: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) তাকে চাকরি থেকে অপসারণের পরামর্শ দেন।

📰 বিস্তারিত

ঢাকার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এনআইডি শাখার কর্মকর্তারা জানান, মোহাম্মদ মজিবুর রহমানকে জালিয়াতির দায়ে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কর্মকর্তা নিজে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তৈরি এবং নিবন্ধন ফরমে অসত্য তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০১৫ সালের ২৭ জানুয়ারি জাতীয় পরিচয়পত্র উইংয়ের একটি পরিদর্শন দল অনুসন্ধান চালিয়ে এই অপকর্মের প্রাথমিক প্রমাণ পায়।

পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের এবং তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা করা হলে তদন্তে তার বিরুদ্ধে আনা অসদাচরণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনও (বিপিএসসি) তাকে চাকরি থেকে অপসারণের গুরুদণ্ড দেওয়ার পরামর্শ দেয়।

রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পরই মোহাম্মদ মজিবুর রহমানকে চূড়ান্তভাবে চাকরি থেকে অপসারণের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হলো। ইসি সচিব আখতার আহমেদেরই মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

"রাষ্ট্রপতি গত ১১ অক্টোবর অনুমোদন প্রদান করে এই পদক্ষেপের পথ সুগম করেন। এনআইডি শাখার কর্মকর্তারা রোববার (১৮ অক্টোবর) এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা, ঢাকা (ইসি সদর দফতর)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ মজিবুর রহমান, রাষ্ট্রপতি, ইসি সচিব আখতার আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ অক্টোবর (বরখাস্ত ঘোষণা), ২৭ জানুয়ারি ২০১৫ (তদন্ত শুরু), ১১ অক্টোবর (রাষ্ট্রপতি অনুমোদন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖