📌 হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে চেম্বার আদালত গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা বকেয়া কর আদায়ের বিষয়ে। নতুন শুনানি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ ডিসেম্বর। আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, স্থগিতের ফলে আপাতত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না
চেম্বার আদালতের রায় স্থগিত করে গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা বকেয়া কর আদায়ের বিষয়ে নতুন শুনানি নির্ধারণ করেছেন। পুনর্মূল্যায়নের পর পাঁচটি করবর্ষের বিপরীতে গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে দাবিকৃত এই বকেয়া করের রায়ের বিরুদ্ধে গ্রামীণ কল্যাণের করা লিভ টু আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে আজ রোববার চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬৬৬ কোটি টাকা বকেয়া করের রায় স্থগিত — চেম্বার আদালতের আদেশে গ্রামীণ কল্যাণের বিরুদ্ধে কর আদায়ের রায় স্থগিত করা হয়েছে।
- 📌 ১৩ ডিসেম্বর নতুন শুনানি — গ্রামীণ কল্যাণের লিভ টু আপিল শুনানির জন্য ১৩ ডিসেম্বর দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
- 📌 আপাতত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না — আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, স্থগিতের ফলে আপাতত অর্থ আদায়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।
- 📌 ড. ইউনূসের সাথে সম্পর্ক শেষ — আইনজীবী মন্তব্য করেন, ২০২৪ সালের পর থেকে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস গ্রামীণ কল্যাণের সাথে আর যুক্ত নেই।
- 📌 হাইকোর্টের রায় প্রত্যাহার — ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট হাইকোর্টের রায় প্রত্যাহার করা হয়, কারণ বিচারপতি এক সময় সরকারের পক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
📰 বিস্তারিত
গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফিদা এম কামাল, আবদুল্লাহ আল মামুন ও সরদার জিন্নাত আলী উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মেহেদি হাসান। পুনর্মূল্যায়নের পর পাঁচটি করবর্ষের বিপরীতে গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে ৬৬৬ কোটি টাকা বকেয়া কর আদায়ের বিষয়ে কর কমিশনারের সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে গ্রামীণ কল্যাণের করা পৃথক রিট খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। বিষয়বস্তুর ওপর শুনানি শেষে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট ওই রায় দেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয় রায়ের পরদিন। পরে ওই বছরের ২৯ আগস্ট রায়টি প্রত্যাহার করে নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়। রায় প্রত্যাহারের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতি এক সময় এসব মামলায় সরকারের পক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এরপর পুনরায় শুনানি শেষে রিট খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।
"রায় স্থগিতের ফলে আপাতত অর্থ আদায়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।"
"২০২৪ সালের পর থেকে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, হাইকোর্ট চেম্বার আদালত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি মো. রেজাউল হক, আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফিদা এম কামাল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মেহেদি হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৬৬ কোটি টাকা বকেয়া কর, ১৩ ডিসেম্বর (নতুন শুনানি), ৪ আগস্ট (হাইকোর্টের রায়), ২৯ আগস্ট (রায় প্রত্যাহার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!