📅 ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মেক্সিকোর পুতুলের দ্বীপের রহস্যময় কাহিনি: কেন একাকী পুতুল সংগ্রাহক জীবন বিতাড়িত করলেন মৃত মেয়ের স্মৃতিতে?

মেক্সিকোর পুতুলের দ্বীপের রহস্যময় কাহিনি: কেন একাকী পুতুল সংগ্রাহক জীবন বিতাড়িত করলেন মৃত মেয়ের স্মৃতিতে?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মেক্সিকো সিটির সোচিমিলকো খালে অবস্থিত পুতুলের দ্বীপে শত শত ভাঙা পুতুল ঝুলে আছে। একাকী পুতুল সংগ্রাহক ডন জুলিয়ান সান্তানা বারেরা ৫০ বছর ধরে এই দ্বীপে পুতুল সংগ্রহের মাধ্যমে মৃত মেয়ের স্মৃতিকে জীবিত রাখতেন। তার মৃত্যুর পর পর্যটকরা দ্বীপটিকে ভয়ঙ্কর রহস্যের জায়গা হিসেবে ঘিরে রেখেছেন

মেক্সিকো সিটির সোচিমিলকো খালের মাঝখানে অবস্থিত পুতুলের দ্বীপ ‘লা ইসলা দে লাস মুনেকাস’ বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর পর্যটন স্থানের মধ্যে অন্যতম। এই এক একরের ছোট্ট দ্বীপে শত শত ভাঙা পুতুল গাছের ডালে ঝুলে আছে, যার অনেকটিতে হাত-পা বা চোখের অভাব দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা বিশ্বাস করেন, এই পুতুলগুলো রাতে নিজেরাই নড়াচড়া করে এবং কথা বলে। ২০২২ সালে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এই দ্বীপকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভুতুড়ে পুতুল সংগ্রহশালা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মেক্সিকো সিটির সোচিমিলকো খালে অবস্থিত ‘লা ইসলা দে লাস মুনেকাস’ দ্বীপে শত শত ভাঙা পুতুল ঝুলে আছে, যার অনেকটিতে হাত-পা বা চোখের অভাব
  • 📌 ডন জুলিয়ান সান্তানা বারেরা ১৯৫০-এর দশকে একাকী এই দ্বীপে চলে আসেন এবং ৫০ বছর ধরে মৃত মেয়ের স্মৃতিতে পুতুল সংগ্রহ করেন
  • 📌 স্থানীয়রা দাবি করেন, রাতে পুতুলগুলো নিজেরাই নড়াচড়া করে এবং কথা বলে, যা দ্বীপটিকে অভিশপ্ত করে তোলে
  • 📌 ডন জুলিয়ান ২০০১ সালে মৃত্যুবরণ করেন এবং তার মৃতদেহও সেই লেকের পানিতে ভেসে পাওয়া যায়, যেখানে তিনি মৃত মেয়ের লাশ দেখেছিলেন
  • 📌 পর্যটকরা দ্বীপটিকে ভয়ঙ্কর রহস্যের জায়গা হিসেবে ঘিরে রেখেছেন এবং নতুন পুতুল নিয়ে আসেন, যা ডন জুলিয়ানের স্মৃতিকে জীবিত রাখে

📰 বিস্তারিত

মেক্সিকো সিটির সোচিমিলকো এলাকায় অবস্থিত ‘লা ইসলা দে লাস মুনেকাস’ দ্বীপটি বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর পর্যটন স্থানের মধ্যে অন্যতম। এই এক একরের ছোট্ট দ্বীপে শত শত ভাঙা পুতুল গাছের ডালে ঝুলে আছে। অনেক পুতুলের হাত-পা বা চোখের অভাব দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা বিশ্বাস করেন, এই পুতুলগুলো রাতে নিজেরাই নড়াচড়া করে এবং কথা বলে। স্থানীয়দের মতে, এই দ্বীপটি অভিশপ্ত এবং রাতের বেলা পুতুলগুলো নিজেরাই ফিসফিস করে কথা বলে।

পুতুলের দ্বীপের কাহিনি জড়িত একজন ব্যক্তির নাম ডন জুলিয়ান সান্তানা বারেরা। তিনি মেক্সিকো সিটির সোচিমিলকো এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। ১৯৫০-এর দশকে তিনি পরিবার ছেড়ে এই দ্বীপে একাকী থাকতে শুরু করেন। কিছুদিন পরই তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্বীপে আসার কিছুদিনের মধ্যেই তিনি লেকের পাড়ে এক কিশোরীর মৃতদেহ দেখতে পান। এই ঘটনার পর থেকে তিনি মৃত মেয়ের স্মৃতিতে পুতুল সংগ্রহ শুরু করেন।

ডন জুলিয়ান ৫০ বছর ধরে শুধু পুতুলই কুড়িয়েছেন। তিনি খালের পানি আর আবর্জনার স্তূপ থেকে পুতুল খুঁজে এনে দ্বীপের গাছে গাছে ঝুলিয়ে রাখতেন। অনেক পুতুল ছিল ভাঙাচোরা, যার কোনোটার মাথা ছিল না, কোনোটার হাত-পা ছিল না। একজন স্বাভাবিক মানুষের পক্ষে একা একা এমন কাজ করা অসম্ভব বলে মনে করা হয়। তার মৃত্যুর পর পর্যটকরা দ্বীপটিকে ভয়ঙ্কর রহস্যের জায়গা হিসেবে ঘিরে রেখেছেন।

"মেয়েটি বাস্তবে থাকুক আর না-ই থাকুক, ডন জুলিয়ান কিন্তু তাঁর জীবনের বাকি সময় তাকে মনে করেই কাটিয়ে দিয়েছিলেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মেক্সিকো সিটির সোচিমিলকো খালের ‘লা ইসলা দে লাস মুনেকাস’ দ্বীপ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডন জুলিয়ান সান্তানা বারেরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ বছর (পুতুল সংগ্রহের সময়কাল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖