📌 হাইকোর্টের ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের রায়ে চেম্বার আদালত আপাতত হস্তক্ষেপ করেননি। বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বে সোমবার আদালত জানিয়েছেন, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেয়া হবে না
ঢাকার চেম্বার আদালত আপাতত হস্তক্ষেপ করেননি হাইকোর্টের ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের রায়ে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বে আদালত জানিয়েছেন, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬৬৬ কোটি টাকা কর দাবি নিয়ে হাইকোর্টের রায়ে চেম্বার আদালত আপাতত হস্তক্ষেপ করেননি।
- 📌 ১৪ সেপ্টেম্বর চেম্বার আদালতে বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বে রায় ঘোষণা করা হয়।
- 📌 ১০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের নতুন বেঞ্চ গ্রামীণ কল্যাণের বিরুদ্ধে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিল।
- 📌 ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ করবর্ষের কর দাবিকে চ্যালেঞ্জ করে গ্রামীণ কল্যাণ দুটি রিট দায়ের করেছিল।
- 📌 ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ওই রিট দুটি খারিজ করা হয়, পরে ২৯ আগস্ট রায় প্রত্যাহার করা হয়।
- 📌 ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষে শুনানি করেন।
- 📌 এনবিআর ও অ্যাটর্নি জেনারেলের প্রতিনিধিরা জানান, তারা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।
📰 বিস্তারিত
হাইকোর্টের ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের রায়ে চেম্বার আদালত আপাতত হস্তক্ষেপ করেননি। বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আদালত জানিয়েছেন, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হবে না।
গত ১০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের নতুন বেঞ্চের নেতৃত্বে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বে গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে এই বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করে দেন আদালত।
গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার খাজা তানভীর আহমেদ। আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, এনবিআর-এর অতিরিক্ত কর দাবিকে অবৈধ ঘোষণার জন্য গ্রামীণ কল্যাণ দুটি রিট করেছিল। গত ১০ সেপ্টেম্বর ওই রিট দুটি খারিজ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করা হয়।
আদালত জানিয়েছে, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় এখনো প্রকাশ পায়নি। রায় প্রকাশের পর সেটি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় বিষয়ে হস্তক্ষেপের সুযোগ থাকবে। আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, শুনানির সময় এনবিআর ও রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের প্রতিনিধিরাও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত তাদের অবস্থান জানতে চাইলে তারা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না বলে জানান এবং এ বিষয়ে নিশ্চয়তা দেন।
২০১৭ সালে গ্রামীণ কল্যাণের কাছে এনবিআর-এর কর দাবি নিয়ে দুটি রিট করা হয়। ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ করবর্ষ পর্যন্ত এসব করের দাবিকে চ্যালেঞ্জ করে রিট দুটি করা হয়েছিল। এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট গ্রামীণ কল্যাণের ওই দুটি রিট খারিজ করা হয়। পরে একই বছরের ২৯ আগস্ট ওই রায় প্রত্যাহার করে নেন বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ। আদালত জানান, দ্বৈত বেঞ্চের দ্বিতীয় বিচারপতি আগে এসব মামলায় সরকারপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ফলে ওই রায় ত্রুটিপূর্ণ হওয়ার আশঙ্কা থাকায় তা প্রত্যাহার করা হয়। পরে মামলার নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হলে নতুন বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য পাঠানো হয়। পুনর্মূল্যায়নের পর গত ১০ সেপ্টেম্বর নতুন হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট দুটি খারিজ করে গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ দেন।
"হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোনো হস্তক্ষেপ করব না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি ফারাহ মাহবুব, বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া, ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন, ব্যারিস্টার খাজা তানভীর আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৬৬ কোটি টাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ করবর্ষ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!