📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফেসবুকে ঘুষ গ্রহণের ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে রাজবাড়ীর নির্বাচন কর্মকর্তা বদলি, তদন্ত চলছে

ফেসবুকে ঘুষ গ্রহণের ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে রাজবাড়ীর নির্বাচন কর্মকর্তা বদলি, তদন্ত চলছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খবিরুল আলমের ঘুষ গ্রহণের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন অফিসে বদলি করা হয়েছে। অভিযোগে জড়িত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে এবং পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খবিরুল আলমের ঘুষ গ্রহণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নির্বাচন কমিশন কর্তৃপক্ষ তাকে ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন অফিসে বদলি করেছে। এই পদক্ষেপ নেওয়ার পেছনে ছিল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ, যা জনসমালোচনার সৃষ্টি করেছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফেসবুকে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খবিরুল আলমকে ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন অফিসে বদলি করা হয়েছে।
  • 📌 ১০ সেপ্টেম্বর বাহরাইনপ্রবাসী রাসেল মোল্লা ঘুষ দিতে বাধ্য হন, যার ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশিত হয়।
  • 📌 ৫০ হাজার টাকা দিয়ে জরুরি ভোটার আইডি করানোর অভিযোগে কর্মকর্তা ও দালালদের জড়িত থাকার কথা উঠে আসে।
  • 📌 মুহাম্মদ শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়, তদন্ত চলছে এবং পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।
  • 📌 রাসেল মোল্লা বলেন, ‘টাকা ছাড়া কোনো সেবা পাওয়া যায় না, অফিসের কর্মকর্তারা দুর্ব্যবহার করেন।’

📰 বিস্তারিত

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খবিরুল আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে তদন্ত চলছিল। এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে টাকা গ্রহণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নির্বাচন কমিশন কর্তৃপক্ষ তৎক্ষণাত পদক্ষেপ নেয়। আজ বুধবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী সচিব মোহাম্মদ শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে খবিরুল আলমকে ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন অফিসে বদলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

১০ সেপ্টেম্বর, বাহরাইনপ্রবাসী রাসেল মোল্লা গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে নতুন ভোটার আইডি কার্ডের জন্য যান। কর্মকর্তা খবিরুল আলম পাঁচ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। রাসেল মোল্লা আকুতি-মিনতি করে দুই হাজার টাকা দেন এবং টাকা প্রদানের ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ করেন। রাসেল মোল্লা বলেন, ‘আমি ব্রেন টিউমারে অসুস্থ ছিলাম। নির্বাচন কর্মকর্তাকে বলার পরও তিনি নানা অজুহাতে আমাকে তিন-চার দিন অফিসে ঘুরান। পরে টাকা দেওয়ার পর তিনি আমার জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ড করে দেন।’

রাসেল মোল্লা আরও অভিযোগ করেন, ‘শুধু আমি নই, এ অফিসে টাকা ছাড়া কোনো সেবা পাওয়া যায় না। টাকা না দিলে অফিসের অন্যরাও দুর্ব্যবহার করেন।’ অভিযোগ রয়েছে, দালাল চক্রের সঙ্গে স্থানীয় কম্পিউটার দোকানদারদের জড়িত থাকা এবং তারা টাকা দিয়ে মুহূর্তের মধ্যে নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে দেয়। এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘আমি জরুরি ভিত্তিতে বিদেশে যাওয়ার জন্য ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ভোটার আইডি করেছি। এই অফিসে কেউ টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে না।’

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, ‘আজ দুপুরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী সচিব মোহাম্মদ শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে ওই কর্মকর্তাকে ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। তদন্ত শেষে তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আরও ব্যবস্থা গ্রহণ হতে পারে।’ খবিরুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে আমি কোনো কথা বলতে পারব না।’

"আমি ব্রেন টিউমারে অসুস্থ ছিলাম। নির্বাচন কর্মকর্তাকে বলার পরও তিনি নানা অজুহাতে আমাকে তিন-চার দিন অফিসে ঘুরান। পরে টাকা দেওয়ার পর তিনি আমার জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ড করে দেন। শুধু আমি নই, এ অফিসে টাকা ছাড়া কোনো সেবা পাওয়া যায় না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গোয়ালন্দ উপজেলা, রাজবাড়ী ও ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন অফিস
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খবিরুল আলম, রাসেল মোল্লা, মুহাম্মদ শহীদুর রহমান, মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ হাজার টাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ৫ হাজার টাকা, ২ হাজার টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖