📅 ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে লাশ উদ্ধারের মামলায় বাসচালক স্বীকারোক্তি দেন: আদালতে জবানবন্দি রেকর্ড

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে লাশ উদ্ধারের মামলায় বাসচালক স্বীকারোক্তি দেন: আদালতে জবানবন্দি রেকর্ড

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় রাজ ক্ল্যাসিক বাসের চালক সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলায় চার দিনের রিমান্ডের পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে। ইসমাইল হোসেনের লাশের সঙ্গে নগদ টাকা বা মালামাল পাওয়া যায়নি

ঢাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় রাজ ক্ল্যাসিক বাসের চালক সোহেল রানা (৪০) আদালতে ‘স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি’ দিয়েছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপপরিদর্শক নজরুল ইসলাম তালুকদার আদালতে হাজির করে জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। মামলাটি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে নিষ্পত্তি হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সোহেল রানা (৪০) এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
  • 📌 আদালত চার দিনের রিমান্ড শেষে সোহেল রানাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে।
  • 📌 ইসমাইল হোসেন (জামালপুরের বাসিন্দা) এর লাশ ৪ সেপ্টেম্বর ভোরে উদ্ধার করা হয়, কিন্তু তার সঙ্গে নগদ পাঁচ লাখ টাকা বা মালামাল পাওয়া যায়নি।
  • 📌 মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন সোহেল রানা, সাজু লস্কার (২৮) ও মাহবুব আলম মনির (১৮)।
  • 📌 ইসমাইল হোসেনের ছেলে মো. হাসান বনানী থানায় মামলা করেন।

📰 বিস্তারিত

৪ সেপ্টেম্বর ভোরে গাজীপুরের উদ্দেশে যাত্রা করা ইসমাইল হোসেনের লাশ ঢাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে উদ্ধার করা হয়। মরদেহের সঙ্গে নগদ টাকা বা গ্রামের বাড়ি থেকে নিয়ে আসা মালামাল পাওয়া যায়নি। ইসমাইলের ছেলে মো. হাসান গাজীপুরের জিরানী বাসস্ট্যান্ডে বাবার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তবে বাবার ফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। পরে বনানী থানার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে কাকলী থেকে কুড়িলগামী অংশের ১৭৯ ও ১৮০ নম্বর পিলারের মধ্যবর্তী সড়কে লাশ উদ্ধার করা হয়।

মামলার তদন্তে বনানী থানার পুলিশ ও র‌্যাব ৫ সেপ্টেম্বর মহাখালী এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে সোহেল রানা, সাজু লস্কারমাহবুব আলম মনিরকে গ্রেপ্তার করেন। পরদিন সাজু ও মনির আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সোহেল রানাকে চার দিনের রিমান্ডের জন্য আদালতে হাজির করা হয়।

প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক মোক্তার হোসেন প্রথম আলোকে জানান, জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত সোহেল রানাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে।

"আমি স্বীকার করি যে, আমি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত ছিলাম।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে (কাকলী থেকে কুড়িলগামী অংশ, ১৭৯ ও ১৮০ নম্বর পিলারের মধ্যবর্তী সড়ক)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোহেল রানা (৪০), মো. হাসান (ইসমাইল হোসেনের ছেলে), ইসমাইল হোসেন (জামালপুরের বাসিন্দা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ সেপ্টেম্বর (লাশ উদ্ধার), ৪০ বছর (সোহেল রানা), ৪ দিনের রিমান্ড

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖