📌 দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) শ্যালক শাহীন ও তার পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ব্যাংক লেনদেনের মামলা অনুমোদন করেছে। এতে সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলামের নামও আসামি তালিকায় রয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) শ্যালক রেজাউল আলম শাহীন ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ব্যাংক লেনদেনের মামলা অনুমোদন করেছে। এ মামলায় শাহীন, তার স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পার, বোন সাবেক অতিরিক্ত সচিব সায়লা ফারজানা এবং ভগ্নিপতি সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলামকে আসামি করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুদক অনুমোদন: শাহীন ও তার পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা
- 📌 শাহীন ও টুম্পারের নামে ৩৮ কোটি ৬২ লাখ টাকার অস্বাভাবিক ব্যাংক লেনদেনের অভিযোগ
- 📌 শাহীন ও তার পরিবারের ৪০টি ব্যাংক হিসাব থেকে ১ হাজার ৪৫ কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে
- 📌 মনিরুল ইসলামের স্ত্রী সায়লা ফারজানা ও শাহীনকে ঘুষ ও দুর্নীতি অভিযোগে আসামি করা হয়েছে
- 📌 দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা অনুযায়ী মামলা অনুমোদন
📰 বিস্তারিত
দুদকের অনুসন্ধান দলের প্রধান উপপরিচালক মোজাম্মিল হোসেন সোমবার মামলা অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, শাহীন ও তার স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পারের নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। শাহীন ও টুম্পারকে যথাক্রমে ২৩ কোটি ৩২ লাখ ৪৬ হাজার ৫২৬ টাকা ও ১৫ কোটি ৩০ লাখ ২১ হাজার ৫৯ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আসামি করা হয়েছে।
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, শাহীন ৪০টি ব্যাংক হিসাব থেকে ২০১৩ সালের ৮ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত এক হাজার ৪৫ কোটি ২৮ লাখ ৩০ হাজার ৭৩৮ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এ সময়ে শাহীন ৫২৭ কোটি ৯২ লাখ ৮৮ হাজার ৮২৮ টাকা জমা এবং ৫১৭ কোটি ৩৫ লাখ ৪১ হাজার ৯১০ টাকা উত্তোলন করেছেন। অন্যদিকে, টুম্পার ২৭টি ব্যাংক হিসাব থেকে ২০১৩ সালের ৮ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩৩ কোটি ১০ লাখ ৫৫ হাজার ৭৮৮ টাকা জমা এবং ২৫ কোটি ৫১ লাখ ৯৮ হাজার ৫৫৫ টাকা উত্তোলন করেছেন। মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫৮ কোটি ৬২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৪৩ টাকা।
দুদকের অভিযোগ, শাহীন ও তার পরিবারের সদস্যরা ঘুষ, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বৈধ করার চেষ্টা করেছেন। এ ঘটনায় শাহীন, টুম্পার, সায়লা ফারজানা ও মনিরুল ইসলামকে আসামি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা অনুযায়ী মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
"দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, শাহীন ও তার পরিবারের সদস্যরা ঘুষ ও দুর্নীতি থেকে অর্জিত অর্থ বৈধ করার চেষ্টা করেছেন। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা অনুমোদন করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শ্যালক রেজাউল আলম শাহীন, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম, সাবেক অতিরিক্ত সচিব সায়লা ফারজানা, সানজিদা খানম টুম্পার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ৪৫ কোটি ২৮ লাখ ৩০ হাজার ৭৩৮ টাকা (শাহীন), ৫৮ কোটি ৬২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৪৩ টাকা (টুম্পার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!