📌 জাতীয় সংসদে ব্যাংক রেজল্যুশন বিল পাসের পর স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বিএনপি সমালোচনা ও ঋণখেলাপি বিষয়ে বক্তব্য ঘিরে সংসদে হট্টগোলের দৃশ্য দেখা যায়। সরকারি দলের সদস্যরা হইচই করে প্রতিবাদ জানান
জাতীয় সংসদে ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিলের পাসের পর আলোচনায় স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্য সরকারি দলের সদস্যদের মধ্যে হট্টগোলের সৃষ্টি করে। রুমিন বিএনপির ক্ষমতায় আসার সম্ভাব্য নেতৃত্বের প্রতি সন্দেহ প্রকাশ করে বক্তব্য দিলে সংসদ কক্ষে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রুমিন ফারহানা বিএনপির ক্ষমতায় আসার সম্ভাব্য নেতৃত্বের প্রতি সমালোচনা করে বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় আসলে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, সার সংকট, ঋণখেলাপি অবস্থা ইত্যাদি সমস্যা সমাধান হবে না”।
- 📌 সদস্যরা হইচই করে প্রতিবাদ জানান; সরকারি দলের সদস্যরা রুমিনকে লক্ষ্য করে অশালীন ভাষায় মন্তব্য করার অভিযোগ উঠে।
- 📌 ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করেন, কিন্তু সদস্যরা শান্ত না হওয়ায় রুমিন ফারহানাকে বসার অনুরোধ জানান।
- 📌 হান্নান মাসউদ সংসদ থেকে বেরিয়ে যান এবং পরে আবার প্রবেশ করেন। বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, “রুমিনের বক্তব্য অস্পষ্ট ছিল, কিন্তু সংসদ সদস্যের অধিকার অবশ্যই রক্ষা করতে হবে”।
- 📌 ৬ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার ঋণখেলাপি হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে রুমিন ফারহানা সতর্কতা জানান।
📰 বিস্তারিত
ব্যাংক রেজল্যুশন বিলের আলোচনায় রুমিন ফারহানা বিএনপির নেতৃত্বের প্রতি সন্দেহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় আসলে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, সার সংকট, দুর্নীতি, ঋণখেলাপি হওয়া ইত্যাদি সমস্যা সমাধান হবে না। বাংলাদেশের ঋণখেলাপি অবস্থা সর্বোচ্চ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।” এই বক্তব্য শুনে সরকারি দলের সদস্যরা হইচই শুরু করেন এবং রুমিনকে লক্ষ্য করে অশালীন ভাষায় মন্তব্য করার অভিযোগ উঠে।
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করেন এবং বলেন, “একজন সংসদ সদস্যের বক্তব্য প্রদানের স্বাধীনতা আছে, কিন্তু অন্যরা বক্তব্য প্রদানে বাধা দিতে পারবেন না।” তবে সদস্যরা শান্ত না হওয়ায় রুমিন ফারহানাকে বসার অনুরোধ জানানো হয়। এ সময় হান্নান মাসউদ সংসদ থেকে বেরিয়ে যান এবং পরে আবার প্রবেশ করেন। বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, “রুমিনের বক্তব্য অস্পষ্ট ছিল, কিন্তু সংসদ সদস্যের অধিকার অবশ্যই রক্ষা করতে হবে।”
রুমিন ফারহানা মাইক ছাড়া কথা বলতে থাকেন এবং স্পিকারকে অশালীন ভাষায় গালি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “এত অসহিষ্ণু সংসদ! মনে হয় আবারও আওয়ামী লীগের আমলে ফিরে গেছি।” এই হট্টগোলের মধ্যে বিলের আলোচনা অব্যাহত থাকে।
"বিএনপি ক্ষমতায় আসলে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, সার সংকট, দুর্নীতি, ঋণখেলাপি হওয়া ইত্যাদি সমস্যা সমাধান হবে না। বাংলাদেশের ঋণখেলাপি অবস্থা সর্বোচ্চ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুমিন ফারহানা, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, হান্নান মাসউদ, শফিকুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা (ঋণখেলাপি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!