📌 হাইকোর্ট ভোলার মেঘনা নদীর অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের রুল জারি করেছে। রিট আবেদনের শুনানিতে বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের বেঞ্চ ৩৯ একর জমিতে অবস্থিত বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। নদীভাঙন রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ড্রেজার অপসারণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হাইকোর্ট ভোলার মেঘনা নদীর অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের রুল জারি করেছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের যৌথ বেঞ্চ রিট আবেদনের শুনানির পর এই রুল জারি করেন। রিটকারী অ্যাডভোকেট মহিবুল্লাহ খোকন বলেছেন, ভোলা জেলায় প্রায় ২২ লাখ মানুষের বসবাস এবং নদীবেষ্টিত এলাকায় হাজার হাজার ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে, যা নদীভাঙনের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভোলার মেঘনা নদীর ৩৯ একর জমিতে অবস্থিত মেঘনা বালুমহাল-৩ ও ৪ থেকে অবিলম্বে বালু উত্তোলন বন্ধের রুল জারি করেছে হাইকোর্ট
- 📌 ১৫ জনকে বিবাদী করে রিট করা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান, ভোলা জেলা প্রশাসক ও জামিল হোসেন ওয়াদুদসহ ১৫ জন
- 📌 ৩ ও ৪ নম্বর রেসপনডেন্টকে (বিআইডব্লিউটিএ ও বিভাগীয় কমিশনার) মেঘনা নদীর সঠিক জরিপ করে বালুমহাল গেজেট থেকে স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়ার নির্দেশ
- 📌 ৯০ দিনের মধ্যে আদালতে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে
- 📌 নদীভাঙন রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ড্রেজার ও যন্ত্রপাতি অপসারণের নির্দেশ
📰 বিস্তারিত
ভোলার দৌলতখান উপজেলার বাসিন্দা অ্যাডভোকেট মহিবুল্লাহ খোকন রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন। তিনি বলেন, ‘ভোলা একটি গ্যাসে পরিপূর্ণ জেলা। এখানে প্রায় ২২ লাখ মানুষের বসবাস। নদীবেষ্টিত এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। আমি জেলার একজন আইনজীবী হিসেবে এই রিট আবেদন করেছি।’ রিট আবেদনে ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া মৌজায় মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত মেঘনা বালুমহাল-৩ ও ৪ ইজারা দেওয়ার বিরুদ্ধে এবং এর ভিত্তিতে গৃহীত কার্যক্রমের বিরুদ্ধে রিট করা হয়েছে।
আদালতের রুলে ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত মেঘনা বালুমহাল দুটি থেকে অবিলম্বে বালু উত্তোলন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৩ ও ৪ নম্বর রেসপনডেন্টকে (বিআইডব্লিউটিএ ও বিভাগীয় কমিশনার) একটি কমিটি গঠন করে মেঘনা নদীর সঠিক হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ পরিচালনা করে বালুমহাল গেজেট থেকে স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালতের আদেশে ৯০ দিনের মধ্যে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। নদীভাঙন থেকে ভোলা জেলাকে রক্ষা করতে সব ড্রেজার ও যন্ত্রপাতি অপসারণে আইনশৃঙ্খলা সংস্থাকে নিয়োজিত করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
"ভোলা একটি গ্যাসে পরিপূর্ণ জেলা। সেখানে প্রায় ২২ লাখ মানুষের বসবাস। হাজার হাজার ড্রেজার দিয়ে ভোলার মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। আমি জেলার একজন বাসিন্দা ও আইনজীবী হয়ে বসে থাকতে পারি না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোলা সদর উপজেলা, মেঘনা নদীর তীর, কাচিয়া মৌজা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাডভোকেট মহিবুল্লাহ খোকন, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান, বিচারপতি ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ লাখ (বাসিন্দা), ৩৯ একর (জমি), ১৫ জন (বিবাদী), ৯০ দিন (স্ট্যাটাস রিপোর্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!