📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দুদকের অভিযোগ: আনিসুল হকের ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও ৭৩৭ কোটি সন্দেহজনক লেনদেন

দুদকের অভিযোগ: আনিসুল হকের ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও ৭৩৭ কোটি সন্দেহজনক লেনদেন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আনিসুল হকের বিরুদ্ধে ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও তাঁর ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ৭৩৭ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগপত্র দিয়েছে। তদন্তে তাঁর ও তিনজন নিকটাত্মীয়ের নামে অসম্পর্কিত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে ১৭২ কোটি ২৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগপত্র দিয়েছে। এছাড়াও তাঁর ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট তিনজন ব্যক্তির নামে ৭৩৭ কোটি টাকার অস্বাভাবিক ব্যাংক লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করেছে সংস্থাটি। বুধবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এসব তথ্য প্রকাশ করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আনিসুল হকের স্বনামে ও বেনামে মোট ১৮০ কোটি ৮৫ লাখ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে, যা বৈধ আয় থেকে ১৭২ কোটি টাকা বেশি
  • 📌 তাঁর নিজ নামে ৯৬ কোটি টাকার সম্পদ, আর তিনজন নিকটাত্মীয়ের নামে মোট ৮৪ কোটি টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে
  • 📌 সিটিজেনস ব্যাংকে জেবুন্নেসা বেগম হকের নামে ২৩ কোটি টাকার শেয়ার ও এফডিআর, ইফতেখারুল ইসলামের নামে ২০ কোটি টাকার শেয়ার, ইকবালের নামে ৪০ কোটি টাকার শেয়ার রয়েছে
  • 📌 ২৩টি ব্যাংকে আনিসুল হক ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্টদের ৭৩৭ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে
  • 📌 দুদক আনিসুল হক ও তাঁর তিনজন নিকটাত্মীয়কে দুর্নীতি, অর্থলন্ডারিং ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করেছে

📰 বিস্তারিত

দুদকের তদন্তে আনিসুল হকের বৈধ আয় থেকে সম্পূর্ণ অসংগতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭২ কোটি ২৪ লাখ টাকা। তাঁর পারিবারিক ব্যয় বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য আয় মাত্র ৮ কোটি ৬১ লাখ টাকা পাওয়া গেছে। তদন্তে তাঁর নিজ নামে ৯৬ কোটি ৮০ লাখ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট তিনজন ব্যক্তির নামে মোট ৮৪ কোটি টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে। এই তিনজন হলেন তাঁর ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জেবুন্নেসা বেগম হক, ভাগনে শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম এবং কাজিন মোহাম্মদ ইকবাল।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, জেবুন্নেসা বেগম হকের নামে সিটিজেনস ব্যাংকে ১০ কোটি টাকার শেয়ার ও ১৩ কোটি টাকার এফডিআর রয়েছে। শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলামের নামে ওই ব্যাংকে ২০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার এবং মোহাম্মদ ইকবালের নামে ৪০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার রয়েছে। এছাড়াও, আনিসুল হক ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্টদের ২৩টি ব্যাংকে মোট ৭৩৭ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

দুদক জানিয়েছে, আনিসুল হক, জেবুন্নেসা বেগম হক, শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইকবালকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭ (১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫ (২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারায় অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মামলাটি ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি ঢাকা-১-এর সজেকা আদালতে দায়ের করা হয়।

"আনিসুল হকের বৈধ আয় থেকে সম্পদ অসংগতিপূর্ণ, যা দুর্নীতির প্রমাণ। তাঁর ও তাঁর নিকটাত্মীয়দের সম্পদ ও লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণ করে আমরা এই অভিযোগপত্র দিয়েছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (দুদকের প্রধান কার্যালয়)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনিসুল হক, জেবুন্নেসা বেগম হক, শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইকবাল, মো. সাইদুর রহমান খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭২ কোটি টাকা (অবৈধ সম্পদ), ৭৩৭ কোটি টাকা (সন্দেহজনক লেনদেন), ২৩টি ব্যাংক, ১৮০ কোটি টাকা (সম্পদ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖