📅 ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকার ট্রাইব্যুনালে যৌতুক হত্যার মামলায় স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চারজনকে খালাস

ঢাকার ট্রাইব্যুনালে যৌতুক হত্যার মামলায় স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চারজনকে খালাস

📷 ছবি: বাসস

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BSS ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ স্বামী দুলাল হোসেনকে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড ও ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চারজনকে খালাস দেওয়া হয়।

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ আজ (১৩ সেপ্টেম্বর) যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে হত্যার মামলায় স্বামী দুলাল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ও ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। বিচারক মো. মশিয়ার রহমানের রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় হারুন, মোরশেদা, সুমাইয়া ও রাজুকে মুক্তি দেওয়া হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দুলাল হোসেন ওরফে দুলু ওরফে জুয়েলকে স্ত্রী শারমিনকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড ও ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়
  • 📌 বিচারক মো. মশিয়ার রহমান রায় ঘোষণা করেন
  • 📌 অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় হারুন, মোরশেদা, সুমাইয়া ও রাজুকে খালাস দেওয়া হয়
  • 📌 মামলায় অভিযোগ ছিল যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে কেরোসিন ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা

📰 বিস্তারিত

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মো. মশিয়ার রহমান আজ (১৩ সেপ্টেম্বর) দুলাল হোসেন ওরফে দুলু ওরফে জুয়েলের বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার মামলায় রায় ঘোষণা করেন। বিচারক রায়ে স্বামী দুলাল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ও ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী শারমিনের সঙ্গে দুলাল হোসেনের সম্পর্কে যৌতুক দাবির কারণে ঘটনাটি ঘটে। দুলাল হোসেন স্ত্রীকে কেরোসিন ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় হারুন, মোরশেদা, সুমাইয়া ও রাজুকে খালাস প্রদান করা হয়।

"আজকের রায়ে স্বামী দুলাল হোসেনের বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায় প্রমাণিত হয়েছে। তাই তাকে মৃত্যুদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।" — বিচারক মো. মশিয়ার রহমান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দুলাল হোসেন ওরফে দুলু ওরফে জুয়েল, বিচারক মো. মশিয়ার রহমান, হারুন, মোরশেদা, সুমাইয়া, রাজু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ টাকা (অর্থদণ্ড), ৪ (খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖