📌 চট্টগ্রামে অনলাইন প্রতারণায় জড়িত ৬৩ বিদেশিকে আদালত দুই দিনের রিমান্ড দিয়েছে, কিন্তু ভাষাগত জটিলতার কারণে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। তদন্তকারী সংস্থা ডিভাইস বা দোভাষী পদ্ধতি ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে
চট্টগ্রামে অনলাইন প্রতারণায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ৬৩ বিদেশি নাগরিকের জিজ্ঞাসাবাদে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে ভাষাগত জটিলতার কারণে। আদালত প্রত্যেককে দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দিলেও তদন্তকারী সংস্থা কাউন্টার টেররিজম ইউনিট তাদের হেফাজতে নিতে পারছে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামে অনলাইন প্রতারণায় জড়িত ৬৩ বিদেশিকে আদালত দুই দিনের রিমান্ড দিয়েছে, কিন্তু তাদের হেফাজতে নিতে পারছে না ভাষা বাধার কারণে
- 📌 গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৩৫ জন লাওসি, ২১ জন পাকিস্তানি, ৫ জন চীনা, এবং ১ জন করে ভিয়েতনামি ও নেপালি — মোট ৬৩ জন
- 📌 ভাষাগত সমস্যার কারণে ডিভাইস বা দোভাষী পদ্ধতি ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হলেও এখনো চূড়ান্ত হয়নি
- 📌 আদালতের আদেশ অনুযায়ী ২০ দিনের মধ্যে রিমান্ড প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে
- 📌 অভিযানে ১৩৪টি মোবাইল, ৫৭টি ল্যাপটপ, ৪টি পাকিস্তানি জাতীয় পরিচয়পত্রসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করা হয়
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম নগরে অনলাইন প্রতারণায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ৬৩ বিদেশি নাগরিকের মধ্যে দু-তিনজন ছাড়া কেউই ইংরেজিতে কথা বলতে পারছেন না। এই ৬৩ জনের মধ্যে ৩৫ জন লাওসি, ২১ জন পাকিস্তানি, ৫ জন চীনা, এবং ১ জন করে ভিয়েতনামি ও নেপালি। তাদের নিজ ভাষায় কথা বলতে হলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তদন্তকারী সংস্থা কাউন্টার টেররিজম ইউনিট ডিভাইসের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা গুগলের সহায়তায় ভাষা অনুবাদ করে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরিকল্পনা করছে। তবে দোভাষী নিয়োগের পদ্ধতিও বিবেচনা করা হলেও এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ জানান, আসামিদের ভাষাগত সমস্যার কারণে দোভাষী নিয়োগ বা অন্য কোনো পদ্ধতি ব্যবহারের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব শিগগির এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা রাসেল মাহমুদ এবং উপকমিশনার মো. শামীম হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তারা ফোন না ধরায় আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য জানানো যায়নি। তবে একই সংস্থার অতিরিক্ত উপকমিশনার পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে দুটি পদ্ধতি বেছে নেওয়া হয়েছে: ডিভাইসের মাধ্যমে ভাষা অনুবাদ এবং দোভাষী নিয়োগ। তবে দোভাষী নিয়োগের পদ্ধতি সময়সাপেক্ষ বলে মনে করা হচ্ছে।
গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দু-তিনজন পাকিস্তানি নাগরিকের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে বাকিরা নিজ ভাষা ছাড়া ইংরেজি বা অন্য কোনো ভাষা বুঝছেন না। অভিযানে ১৪টি ফ্ল্যাট থেকে ১৩৪টি মোবাইল, ৫৭টি ল্যাপটপ, ৪টি পাকিস্তানি জাতীয় পরিচয়পত্রসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করা হয়েছে এবং বিদেশি নাগরিকদের দেশে আনা সহযোগী মো. মহসীনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
"আসামিদের ভাষাগত সমস্যার জন্য দোভাষী নিয়োগ বা অন্য কোনো পদ্ধতি ব্যবহারের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে আশা করছি, খুব শিগগির এটা চূড়ান্ত হবে।"
"প্রাথমিকভাবে ডিভাইসের পদ্ধতি ব্যবহার করে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম নগর, খুলশী থানা, কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ, রাসেল মাহমুদ, মো. শামীম হোসেন, মো. মহসীন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৩ জন বিদেশি, ৩৫ জন লাওসি, ২১ জন পাকিস্তানি, ৫ জন চীনা, ১৩৪টি মোবাইল, ৫৭টি ল্যাপটপ, ২০ দিনের রিমান্ড প্রতিবেদন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!