📌 চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি ডিপোতে রপ্তানির জন্য পাঁচটি খালি কনটেইনার শনাক্ত হয়। কাস্টমস গোয়েন্দারা ৫ কোটি টাকার ভুয়া রপ্তানি ঠেকানোর লক্ষ্যে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। গাজীপুরের একটি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের নামে চালানগুলো ছিল
চট্টগ্রাম বন্দরে রপ্তানির জন্য পাঁচটি খালি কনটেইনার নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। কাস্টমস গোয়েন্দারা গত ৩ সেপ্টেম্বর একটি বেসরকারি ডিপোতে শনাক্ত করেন এই সন্দেহজনক কনটেইনারগুলো। চালানগুলোতে মোট ১ লাখ ২১ হাজার কেজি পণ্য থাকার কথা উল্লেখ থাকলেও কোনো পণ্য ছিল না। এই ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং প্রায় ৫ কোটি টাকার সন্দেহজনক ভুয়া রপ্তানি ঠেকানোর লক্ষ্যে তদন্ত চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের বেসরকারি এছাক ব্রাদার্স ডিপোতে পাঁচটি খালি কনটেইনার শনাক্ত, চালানগুলোতে ১ লাখ ২১ হাজার কেজি পণ্য থাকার কথা ছিল
- 📌 কাস্টমস গোয়েন্দারা ১০ সদস্যের দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যার মধ্যে একটি প্রধান কার্যালয় থেকে এবং অন্যটি আইসিডি কমিশনারেট থেকে
- 📌 প্রায় ৪ লাখ ৩৮ হাজার ডলার বা ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার সন্দেহজনক ভুয়া রপ্তানি ঠেকানোর সম্ভাবনা রয়েছে
- 📌 চালানগুলো গাজীপুরের ভ্যালমন্ট ফ্যাশনস লিমিটেডের নামে ছিল, গন্তব্য হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ফিলিপাইন উল্লেখ করা ছিল
- 📌 সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মাহমুদ হাসানের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়, তদন্তকারীদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের বেসরকারি এছাক ব্রাদার্স ডিপোতে রপ্তানির সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে জাহাজে তোলার অপেক্ষায় থাকা পাঁচটি কনটেইনার খালি পাওয়া গেছে। কাস্টমস গোয়েন্দারা গত ৩ সেপ্টেম্বর এই কনটেইনারগুলো শনাক্ত করেন। চালানগুলোতে মোট ১ লাখ ২১ হাজার কেজি পণ্য থাকার কথা উল্লেখ ছিল। তবে ডিপো কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং এজেন্ট কোনো পণ্য দেখাতে পারেননি।
কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তর, চট্টগ্রামের যুগ্ম পরিচালক সাগর সেন বলেছেন, ‘বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনায় আমাদের প্রধান কার্যালয় থেকে একটি শক্তিশালী তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে ওই ডিপো থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে।’
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, সাধারণত রপ্তানি পণ্য প্রথমে সংশ্লিষ্ট ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে নেওয়া হয়। সেখানে কাস্টমসের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে পণ্য রপ্তানি করা হয়। কিন্তু এই ঘটনায় কোনো রপ্তানি পণ্য ছাড়াই পাঁচটি কনটেইনার কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে জাহাজে তোলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা চালানগুলো আটকে দেওয়ায় প্রায় ৪ লাখ ৩৮ হাজার ডলার বা প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার সন্দেহজনক ভুয়া রপ্তানি ঠেকানো গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
আইসিডি কমিশনারেট, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত কমিশনার মাহবুবুর রহমান বলেছেন, ‘এই ঘটনা খতিয়ে দেখতে আমাদের যুগ্ম কমিশনার সাইদ আহমেদ রুবেলের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি পুরো ঘটনা তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করবে।’
"বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনায় আমাদের প্রধান কার্যালয় থেকে একটি শক্তিশালী তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের বেসরকারি এছাক ব্রাদার্স ডিপো
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাগর সেন (কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম), মাহবুবুর রহমান (আইসিডি কমিশনারেট, চট্টগ্রাম), সাইদ আহমেদ রুবেল (যুগ্ম কমিশনার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা (সন্দেহজনক ভুয়া রপ্তানি), ১০ সদস্য (তদন্ত কমিটি), ৫টি কনটেইনার, ১ লাখ ২১ হাজার কেজি (চালান অনুযায়ী পণ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!