📌 ঢাকার বিশেষ জজ আদালত সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকার সম্পদ বাজেয়াপ্তের রায় দিয়েছেন। আদালত আরও ১০ লাখ টাকা জরিমানা ও এক বছরের অতিরিক্ত কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে
ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আব্দুস সালাম আজ বুধবার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি ৩৬ লাখ ৪৬ হাজার ৫২২ টাকার সম্পদ বাজেয়াপ্তের রায় দিয়েছেন। রায়ে আদালত আরও ১০ লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে এক বছরের অতিরিক্ত কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আব্দুস সালাম শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায়।
- 📌 আদালত শ্যামল কৃষ্ণ দাসের অবৈধভাবে অর্জিত ১ কোটি ৩৬ লাখ ৪৬ হাজার ৫২২ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছে।
- 📌 রায়ে শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- 📌 মামলায় অভিযোগ ছিল, শ্যামল কৃষ্ণ দাস ২০২১ সালে এনবিআর ময়মনসিংহ কর অঞ্চলে কর্মরত থাকাকালীন ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন যার কোনো বৈধ উৎস নেই।
- 📌 রায় ঘোষণার সময় জামিনে থাকা শ্যামল কৃষ্ণ দাস আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
📰 বিস্তারিত
ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আব্দুস সালাম আজ বুধবার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামল কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেন। মামলাটি দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাহাবুব মোর্শেদের বাদী হিসেবে দায়ের করা হয়েছিল। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছিল, শ্যামল কৃষ্ণ দাস ২০২১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি এনবিআর ময়মনসিংহ কর অঞ্চলে কর্মরত থাকাকালীন নিজের ও নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে থাকা সম্পত্তির বিবরণী জমা দিয়েছিলেন। তবে তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ঘোষিত সম্পদের বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের সাথে ১ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার অস্পষ্টতা ছিল।
দুদকের প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন জানান, রায় ঘোষণার সময় শ্যামল কৃষ্ণ দাস আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বিচারক তাঁর উপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করেন। পরে তাঁকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান। বিচার চলাকালে আদালত চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য গ্রহণ ও শুনানি শেষে আজ এই রায় ঘোষণা করলেন বিচারক আব্দুস সালাম।
"আমি শ্যামল কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও সম্পদ বাজেয়াপ্তের রায় দিয়েছি। তিনি ১০ লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করবেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (বিশেষ জজ আদালত), ময়মনসিংহ (এনবিআর কর অঞ্চল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শ্যামল কৃষ্ণ দাস, বিচারক আব্দুস সালাম, খন্দকার শামীম হোসেন, মো. মাহাবুব মোর্শেদ, হাফিজুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ বছর কারাদণ্ড, ১ কোটি ৩৬ লাখ ৪৬ হাজার ৫২২ টাকা বাজেয়াপ্ত, ১০ লাখ টাকা জরিমানা, ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা অস্পষ্ট সম্পদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!