📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৫৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চরফ্যাশনে শিক্ষা কর্মকর্তা থেকে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ: বিল আটকে ১৩ বছর

চরফ্যাশনে শিক্ষা কর্মকর্তা থেকে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ: বিল আটকে ১৩ বছর

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মচারী মো. ছাত্তারকে ঘুষের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষক মনির উদ্দিনের ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার বকেয়া বিল ১৩ বছর ধরে আটকে আছে। কর্মচারী ৪০ হাজার টাকা দাবি করে বিলের কাগজপত্র কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে

চরফ্যাশন উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনির উদ্দিনের ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার বকেয়া এরিয়া বিল ১৩ বছর ধরে আটকে থাকায় শিক্ষা অফিসের কর্মচারী মো. ছাত্তারের বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, কর্মচারী ৪০ হাজার টাকা দাবি করে বিলের কাগজপত্র কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি আগে ১৫ হাজার টাকাও নেওয়া হয়েছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মচারী মো. ছাত্তারকে ঘুষের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
  • 📌 প্রধান শিক্ষক মনির উদ্দিনের ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার বকেয়া বিল ১৩ বছর ধরে আটকে আছে।
  • 📌 কর্মচারী ৪০ হাজার টাকা দাবি করে বিলের কাগজপত্র কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি আগে ১৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
  • 📌 শিক্ষক মনির উদ্দিনের দাবি, বিলের ফাইল জট ছাড়ানোর জন্য ৪০ হাজার টাকা দাবি করা হয়।
  • 📌 অভিযুক্ত কর্মচারী মো. ছাত্তার ঘুষের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

📰 বিস্তারিত

হাজিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনির উদ্দিনের বকেয়া এরিয়া বিলের জট ১৩ বছর ধরে চলছে। তিনি লালমোহন উপজেলায় কর্মরত ছিলেন এবং প্রায় তিন বছর আগে চরফ্যাশনে বদলি হয়ে আসেন। বদলির পর থেকে বিলের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করছেন তিনি।

অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রথমে ১৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরে কর্মচারী মো. ছাত্তার ৪০ হাজার টাকা দাবি করে বিলের কাগজপত্র কেড়ে নেন। শিক্ষক মনির উদ্দিন বলেন, “আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই এবং আমার প্রাপ্য টাকা দ্রুত পরিশোধের দাবি জানাচ্ছি।”

অভিযুক্ত কর্মচারী মো. ছাত্তার ঘুষের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, শিক্ষককে বিল করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল এবং কোনো টাকা-পয়সা চাওয়া হয়নি। তবে চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেছেন, ওই শিক্ষকের বিল-সংক্রান্ত কাগজপত্রে তিনি ইতোমধ্যে স্বাক্ষর করেছেন।

"আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই এবং আমার প্রাপ্য টাকা দ্রুত পরিশোধের দাবি জানাচ্ছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চরফ্যাশন উপজেলা, ভোলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান শিক্ষক মনির উদ্দিন, কর্মচারী মো. ছাত্তার, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ হাজার টাকা (ঘুষ দাবি), ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা (বকেয়া বিল), ১৩ বছর (বিল আটকে), ১৫ হাজার টাকা (আগে নেওয়া)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖