📅 ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জাতিসংঘে পাস নতুন মানচিত্র: আফ্রিকা বড়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবাদে তীব্র বিরোধিতা

জাতিসংঘে পাস নতুন মানচিত্র: আফ্রিকা বড়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবাদে তীব্র বিরোধিতা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নতুন মানচিত্র প্রজেকশন পাস হয়, যেখানে আফ্রিকার আকার বাড়ানো হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র বিরোধিতা হয়। ১৬৪টি দেশ সমর্থন করে, যুক্তরাষ্ট্র বিপক্ষে ভোট দেয়। মানচিত্রে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার আকার সংকুচিত হয়েছে

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বিশ্বের নতুন ভৌগোলিক মানচিত্র প্রজেকশন পাস হয়, যেখানে আফ্রিকা মহাদেশের প্রকৃত আয়তন অনুযায়ী আকার বাড়ানো হয়েছে। এই পরিবর্তিত মানচিত্রে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার আকার সংকুচিত হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত ভোটে ১৬৪টি সদস্যরাষ্ট্র প্রস্তাবটি সমর্থন করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র তীব্র বিরোধিতা করে। অন্য ছয়টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাতিসংঘে নতুন মানচিত্র প্রজেকশন পাস: আফ্রিকার আকার বাড়ানো, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার আকার সংকুচিত
  • 📌 ১৬৪টি দেশ সমর্থন, যুক্তরাষ্ট্র বিপক্ষে ভোট দেয়, ছয়টি দেশ বিরত থাকে
  • 📌 ‘ইকুয়াল আর্থ’ প্রজেকশন: মহাদেশগুলোর প্রকৃত আয়তন অনুযায়ী সঠিক প্রতিনিধিত্ব
  • 📌 মার্কেটর প্রজেকশন থেকে বদল: ১৫৬৯ সাল থেকে ব্যবহৃত মানচিত্রের বিকৃতি সংশোধন
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি ইয়ারিনা ফেরেনসেভিচ: ‘জাতিসংঘের বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা হ্রাস পাচ্ছে’
  • 📌 টোগোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট ডুসে: ‘মানচিত্র মানসিক ধারণা গঠনে প্রভাব ফেলে’
  • 📌 ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো: ‘বিকৃত উপস্থাপন সংশোধন সত্য প্রতিষ্ঠায় পদক্ষেপ’

📰 বিস্তারিত

জাতিসংঘের নতুন মানচিত্র প্রজেকশন ‘ইকুয়াল আর্থ’ নামে পরিচিত। এই প্রজেকশনটি ২০১৮ সালে একদল মানচিত্রকর তৈরি করেন। এটি মহাদেশগুলোর আকৃতি ও আয়তন যথাসম্ভব সঠিকভাবে প্রতিনিধিত্ব করে। নতুন মানচিত্রে আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা, দক্ষিণ এশিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলগুলো বড় হয়ে উঠেছে। এর ফলে গ্রিনল্যান্ডের আকারের তুলনায় আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন (১৪ গুণ বড়) স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

১৫৬৯ সালে ফ্ল্যামিশ মানচিত্রকর জেরার্ডাস মার্কেটর তৈরি করা ‘মার্কেটর প্রজেকশন’ মানচিত্রটি মূলত সমুদ্রপথে জাহাজের দিক নির্ণয়ের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল। কিন্তু গোলাকার ভূ-গোলককে সমতল কাগজে ফুটিয়ে তোলার সময় বিষুবরেখার কাছের অঞ্চলগুলোকে সংকুচিত এবং উত্তর গোলার্ধের অঞ্চলগুলোকে বহুগুণ বড় করে দেখানো হতো। ফলে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার প্রকৃত আয়তন তুলনায় অনেক বড় মনে হতো।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি ইয়ারিনা ফেরেনসেভিচ ভোটাভুটির আগে বলেন, ‘প্রকৃত বৈশ্বিক সংকটগুলোর দিকে নজর না দিয়ে এই সংস্থা ১৬০০ শতাব্দীর মানচিত্র প্রকল্প নিয়ে বিতর্ক করছে। এর ফলে জাতিসংঘ তার বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা হারাচ্ছে।’ অন্যদিকে, প্রস্তাবটির সহ-উদ্যোক্তা টোগোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট ডুসে বলেন, ‘মানচিত্র কেবল ভূগোল শেখায় না, এটি মানুষের কল্পনাশক্তিতে প্রভাব ফেলে এবং বিশ্ব সম্পর্কে আমাদের মানসিক ধারণাকে গড়ে তোলে। কোনো মানচিত্রই সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ নয়। যখন বছরের পর বছর ধরে একটি বিকৃত মানচিত্র দেখানো হয়, তখন তা জাতিগত ভুল ধারণা টিকিয়ে রাখে।’

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো বলেন, ‘মানচিত্র পরিবর্তন করলেই বিশ্ব বদলে যাবে না, তবে বিকৃত উপস্থাপন সংশোধন করা সত্য প্রতিষ্ঠায় একটি বড় পদক্ষেপ।’ ফ্রান্সের এই পদক্ষেপের পটভূমিতে রয়েছে আফ্রিকায় নিজেদের সাবেক উপনিবেশগুলোর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা। বিশ্লেষকরা এই পদক্ষেপকে আফ্রিকার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের কৌশলগত উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।

"প্রকৃত বৈশ্বিক সংকটগুলোতে নজর না দিয়ে এই সংস্থা ১৬০০ শতাব্দীর মানচিত্র প্রকল্প এবং ভৌগোলিক ক্ষতিপূরণসংক্রান্ত রাজনীতি নিয়ে বিতর্ক করছে।"
"মানচিত্র কেবল ভূগোল শেখায় না, এটি মানুষের কল্পনাশক্তিতে প্রভাব ফেলে এবং বিশ্ব সম্পর্কে আমাদের মানসিক ধারণাকে গড়ে তোলে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ, নিউ ইয়র্ক
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবার্ট ডুসে (টোগোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী), ইয়ারিনা ফেরেনসেভিচ (যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি), জঁ-নোয়েল বারো (ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী), জেরার্ডাস মার্কেটর (ফ্ল্যামিশ মানচিত্রকর)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬৪টি সদস্যরাষ্ট্র সমর্থন, ১৪ গুণ বড় আফ্রিকা, ৪ সেপ্টেম্বর (ভোটের তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖