📌 দুবাই কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ। ৩০ জুলাই কারামুক্ত, তবে দুবাই ত্যাগের অনুমতি নেই, পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষের জিম্মায়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। তবে আদালতের শর্ত অনুযায়ী, তার দুবাই ত্যাগের অনুমতি নেই এবং পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আইনি প্রক্রিয়া শেষে তিনি কারামুক্ত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুবাই কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ
- 📌 আদালতের শর্ত অনুযায়ী, তার দুবাই ত্যাগের অনুমতি নেই এবং পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রয়েছে
- 📌 গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আইনি প্রক্রিয়া শেষে তিনি কারামুক্ত হন
- 📌 ২৭ জুলাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন
- 📌 বাংলাদেশ পুলিশের ইন্টারপোল শাখা ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানে না
- 📌 বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশের মহাপরিদর্শক ছিলেন
📰 বিস্তারিত
পারিবারিক সূত্রের দাবি, গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আইনি প্রক্রিয়া শেষে তিনি কারামুক্ত হন। এর আগে ২৭ জুলাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) একটি আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
তবে তার মুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের ইন্টারপোল শাখা ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানে না বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এ বিষয়ে পুলিশ সদর দফতরের পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ সরকারের পাঠানো প্রত্যর্পণসংক্রান্ত নথি ও আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে দুবাইয়ের আদালতে উভয় পক্ষের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত শর্তসাপেক্ষে তাকে জামিন দেন।
⚖️ গ্রেফতার ও অভিযোগ
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে দুবাইয়ে বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়। দুবাই পুলিশের সহায়তায় এবং আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহযোগিতায় ওই গ্রেফতার অভিযান পরিচালিত হয়। গত ১২ জুন এক চিঠির মাধ্যমে এ বিষয়ে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে দুবাই পুলিশ।
বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, অর্থপাচারসহ একাধিক অভিযোগে তদন্ত করছে দুদক। সেই তদন্তের ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে এলে তদন্ত শুরু করে দুদক। অভিযোগ ওঠার পর তিনি দেশ ত্যাগ করেন। পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হয় এবং আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়।
📋 কর্মজীবন
বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশের মহাপরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার এবং র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক ছিলেন।
২০২১ সালের ডিসেম্বরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র র্যাবের কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে সেই তালিকায় বেনজীর আহমেদের নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দুবাই কারাগার, সংযুক্ত আরব আমিরাত
- 👤 ব্যক্তি: বেনজীর আহমেদ (সাবেক আইজিপি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ তারিখ: ১২ জুন (দুবাই পুলিশের চিঠি), ২৭ জুলাই (জামিন), ৩০ জুলাই (কারামুক্ত), ১৫ এপ্রিল ২০২০ - ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ (আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব), ডিসেম্বর ২০২১ (যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা)
- 📚 সূত্র: দৈনিক নয়া দিগন্ত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!