📅 ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১২৪টি মামলায় আসামি আনিছুর রহমান: জেল ভেঙে পালিয়ে ২ বছর পর আবার গ্রেপ্তার, ভুক্তভোগীরা চায় ফাঁসি

১২৪টি মামলায় আসামি আনিছুর রহমান: জেল ভেঙে পালিয়ে ২ বছর পর আবার গ্রেপ্তার, ভুক্তভোগীরা চায় ফাঁসি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুষ্টিয়ার ১২৪টি অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণা মামলায় আসামি মো. আনিছুর রহমান জেল ভেঙে পালিয়ে ২ বছর পর ঢাকার বিমানবন্দর এলাকায় আবার গ্রেপ্তার হন। ভুক্তভোগীরা তার বিরুদ্ধে ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন

কুষ্টিয়ার ১২৪টি অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণা মামলায় আসামি মো. আনিছুর রহমান জেল ভেঙে পালিয়ে ২ বছর পর ঢাকার বিমানবন্দর থানা এলাকায় আবার গ্রেপ্তার হন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই গ্রেপ্তার ঘটনায় তথ্যপ্রযুক্তি ও র্যাবের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১২৪টি মামলায় আসামি আনিছুর রহমান জেল ভেঙে পালিয়ে ২ বছর পর আবার গ্রেপ্তার হন
  • 📌 ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বাস ফাউন্ডেশন থেকে শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করে নিজের সম্পদ বাড়ানোর অভিযোগ
  • 📌 ২০২৪ সালের ৭ আগস্ট জেল ভেঙে পালানোর পর এবার তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আবার গ্রেপ্তার
  • 📌 ভুক্তভোগীরা দাবি: ৩০ লাখ টাকা থেকে ২০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে আনিছুর
  • 📌 কুমারখালী থানার উপপরিদর্শক সোহাগ শিকদার নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা

📰 বিস্তারিত

মো. আনিছুর রহমান কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের সদরপুর গ্রামের মৃত ইব্রাহিম বিশ্বাসের ছেলে। তিনি ২০০৬ সালে আলাউদ্দিন নগর এলাকায় ‘বিশ্বাস সঞ্চয় ঋণদান ও সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামে একটি এনজিও গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করে ‘বিশ্বাস ফাউন্ডেশন’ রাখা হয়। কুষ্টিয়া, রাজবাড়ী, পাবনা ও ঝিনাইদহসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে এই প্রতিষ্ঠানটির শতাধিক শাখা বিস্তৃত করা হয়।

ডিপিএসের মাধ্যমে স্বল্প সময়ে দ্বিগুণ টাকা ফেরত দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে হাজারো গ্রাহকের কাছ থেকে শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে আনিছুরের বিরুদ্ধে। ওই টাকা দিয়ে তিনি নিজের নামে জমি, বাড়ি ও গাড়িসহ বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন। ২০২৩ সালের নভেম্বরে কর্মীদের আমানতকারীদের জমানো টাকার জন্য চাপ দেওয়ার পর আনিছুর এনজিওর কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে আত্মগোপনে যান। এরপর ২০২৪ সালের শুরুর দিকে কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে প্রায় ১২৪টি মামলা হয়। এর মধ্যে ১২টি মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে তাঁর সাজা হয়েছে।

২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল বিদেশে পালানোর চেষ্টাকালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পুলিশ আনিছুরকে গ্রেপ্তার করে কুষ্টিয়া কারাগারে পাঠায়। একই বছরের ৭ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে কুষ্টিয়া জেলা কারাগারের প্রধান ফটক ভেঙে পালিয়ে যাওয়া আসামিদের মধ্যে আনিছুরও ছিলেন। আজ বৃহস্পতিবার আনিছুরের গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে সকাল থেকেই শত শত ভুক্তভোগী কুমারখালী থানা প্রাঙ্গণে ভিড় করেন।

"গার্মেন্টসে চাকরি করে জমানো দেড় লাখ টাকা চার বছরে দ্বিগুণ হবে, এই আশায় রেখেছিলাম। আনিছ সেই টাকা নিয়ে পালিয়ে সব শেষ করে দিল।"

— রাজবাড়ীর পাংশা এলাকার আব্দুল মাজেদ (৬৪), ভুক্তভোগী

শিলাইদহের ভুক্তভোগী জাহানারা খাতুন বলেন, ‘বেতন, বোনাস, জমি ইজারা এবং গরু-ছাগল বিক্রির মোট ৩০ লাখ টাকা আনিছের হাতে তুলে দিয়েছিলাম। এনজিওর নামে ও সদস্যদের প্রায় ২০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।’ আনিছুরের ভাগনি বিনা খাতুনও প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘দ্বিগুণ লাভের আশায় মামার কাছে তিন লাখ টাকা রেখেছিলাম। এখন সব শেষ। হয় আমাদের টাকা ফেরত দিক, না হলে ওর ফাঁসি চাই।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (বিমানবন্দর থানা এলাকা), কুমারখালী উপজেলা (কুষ্টিয়া)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আনিছুর রহমান, আব্দুল মাজেদ (৬৪), জাহানারা খাতুন, বিনা খাতুন, সোহাগ শিকদার, শরিফুল ইসলাম, রাশেদুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২৪টি মামলা, ১২টি সাজা, ২০০ কোটি টাকা, ৩০ লাখ টাকা, ২ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖