📌 লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দিলসাদপুর গ্রামে মাটি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। খোরশেদ নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়, যার বিরুদ্ধে আগে থেকেই হত্যা ও অস্ত্র মামলা ছিল। নিহতের স্ত্রী ও মেয়ে বলেছেন, প্রতিপক্ষের ওয়ালিদ খোরশেদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলসাদপুর গ্রামে মাটি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে হত্যার ঘটনা ঘটে। বুধবার দুপুরে খোরশেদ নামে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করা হয়, যার বিরুদ্ধে আগে থেকেই হত্যা ও অস্ত্র মামলা ছিল। নিহত খোরশেদ বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিলসাদপুর গ্রামে মাটি ব্যবসায়ী খোরশেদকে গুলি করে হত্যা করা হয়, যার বিরুদ্ধে আগে থেকেই হত্যা ও অস্ত্র মামলা ছিল।
- 📌 নিহত খোরশেদের স্ত্রী আকলিমা আক্তার ও মেয়ে প্রেমা আক্তার জানান, মোরশেদ ও মজিদ নামে দুজন ব্যক্তি খোরশেদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে।
- 📌 হত্যার অভিযোগ উঠেছে যে, মাটির ব্যবসা নিয়ে ওয়ালিদ খোরশেদের আগেও খোরশেদকে হুমকি-ধমকি দিয়েছিলেন।
- 📌 লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ইসমাইল হাসান রনি বলেছেন, খোরশেদের বুকে গুলির ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেছে।
- 📌 লক্ষ্মীপুর সদর থানার ওসি ওয়াহিদ পারভেজ জানান, খোরশেদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের পর জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
📰 বিস্তারিত
দিলসাদপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে খোরশেদকে বুধবার দুপুরে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। নিহত খোরশেদের স্ত্রী আকলিমা আক্তার ও মেয়ে প্রেমা আক্তার জানান, মোরশেদ ও মজিদ নামে দুজন ব্যক্তি খোরশেদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে। তারা বলেন, মাটির ব্যবসা নিয়ে ওয়ালিদের আগেও খোরশেদকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হত।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইসমাইল হাসান রনি জানান, খোরশেদকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর বুকে গুলির ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, খোরশেদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই হত্যা ও অস্ত্র মামলা ছিল।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, খোরশেদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের পর জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"মাটির ব্যবসা নিয়ে ওয়ালিদের আগেও খোরশেদকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হত। তারা বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে।"
— আকলিমা আক্তার ও প্রেমা আক্তার, নিহত খোরশেদের স্ত্রী ও মেয়ে
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিলসাদপুর গ্রাম, পার্বতীনগর ইউনিয়ন, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খোরশেদ (নিহত), আকলিমা আক্তার, প্রেমা আক্তার, মোরশেদ, মজিদ, ওয়ালিদ, ওসি ওয়াহিদ পারভেজ, চিকিৎসক ইসমাইল হাসান রনি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (নিহত ব্যক্তি), ২ (মোরশেদ ও মজিদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!