📌 ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের পালাংকা রায়া শহরে দাবানলের ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে ভুগছেন বাসিন্দারা। সেখানে চালু করা হয়েছে বিশেষ অক্সিজেন বাস, যেখানে ৫ থেকে ১০ মিনিটে অক্সিজেন নিতে পারছেন রোগীরা। আগস্ট থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত দাবানলের কারণে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার মানুষ শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত হয়েছে
ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের পালাংকা রায়া শহরে দাবানলের ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে ভুগছেন বাসিন্দারা। দাবানলের কারণে সৃষ্ট ধোঁয়ায় আকাশ কমলা রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে, যা ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের আকাশকে প্রভাবিত করেছে। এই বিপর্যয়ের মুখে সেখানে বিশেষভাবে চালু করা হয়েছে অক্সিজেন বাস, যেখানে বাসিন্দারা নলের মাধ্যমে অক্সিজেন নিতে পারছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের পালাংকা রায়া শহরে চালু হয়েছে অক্সিজেন বাস, যেখানে বাসিন্দারা শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিরসনে অক্সিজেন নিচ্ছেন।
- 📌 বাসে অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং চিকিৎসাকর্মীরা উপস্থিত থাকেন, যারা রোগীদের সহায়তা করছেন।
- 📌 বাসে উঠে বাসিন্দারা ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে অক্সিজেন নিতে পারছেন।
- 📌 দাবানলের কারণে ইন্দোনেশিয়ার শ্বাসতন্ত্রের রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। আগস্ট থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছে, যার মধ্যে সেন্ট্রাল কালিমানতান প্রদেশের আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৩১ হাজার।
- 📌 ৪৪ বছর বয়সী ওকতাভিনা রয়টার্স বলেছেন, ‘এটি প্রকৃতির কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ, আমাদের করার কিছু নেই।’
📰 বিস্তারিত
বোর্নিও দ্বীপের পালাংকা রায়া শহরে দাবানলের ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে ভুগছেন বাসিন্দারা। এই শহরটি সেন্ট্রাল কালিমানতান প্রদেশের মধ্যে অবস্থিত। ইন্দোনেশিয়ায় দাবানল নিয়মিত ঘটে, তবে এবারের দাবানলকে বলা হচ্ছে দশকব্যাপী সবচেয়ে ভয়াবহ। এই দাবানলের কারণে ইন্দোনেশিয়ার পাশাপাশি মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের আকাশও কমলা রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে।
অক্সিজেন বাসগুলোতে নীল ও সাদার মিশ্র রঙে রঙিন করা হয়েছে। বাসে অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং চিকিৎসাকর্মীরা উপস্থিত থাকেন। বাসে উঠে বাসিন্দারা নলের মাধ্যমে অক্সিজেন নিতে পারছেন। একটি বাসে থাকা চিকিৎসাকর্মী জানান, বেশিরভাগ মানুষের কাশি হচ্ছে বা শ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছে।
ইন্দোনেশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দাবানলের কারণে আগস্ট থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার মানুষ শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে সেন্ট্রাল কালিমানতান প্রদেশের আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৩১ হাজার।
‘এটি প্রকৃতির কারণে সৃষ্টি হওয়া একটি দুর্যোগ। আমাদের করার তেমন কিছুই নেই।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পালাংকা রায়া, সেন্ট্রাল কালিমানতান প্রদেশ, বোর্নিও দ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওকতাভিনা রয়টার্স (৪৪ বছর), চিকিৎসাকর্মী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫-১০ মিনিট (অক্সিজেন নেওয়ার সময়), ৩ লাখ ৫০ হাজার (শ্বাসতন্ত্রের রোগী), ৩১ হাজার (সেন্ট্রাল কালিমানতান প্রদেশের রোগী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!