📌 কিশোরগঞ্জের একটি ২৬ বছর পুরনো ডাকাতি ও হত্যা মামলায় উচ্চ আদালতের ১০ বছরের সাজা ভোগ করতে ১০৪ বছর বয়সী নুর মোহাম্মদ কারাগারে যান। তিনি অসুস্থতার কারণে জামিনের আবেদন করলেও আদালত তা প্রত্যাখ্যান করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন
২৬ বছর আগের একটি হত্যা ও ডাকাতি মামলায় উচ্চ আদালতের ১০ বছরের সাজা ভোগ করতে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর আদেশে ১০৪ বছর বয়সী নুর মোহাম্মদ কারাগারে যান। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলেও বিচারক ফারজানা ইয়াসমিনের বেঞ্চ জামিন প্রত্যাখ্যান করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১০৪ বছর বয়সী নুর মোহাম্মদ ২০০০ সালের ডাকাতি-হত্যা মামলায় কারাগারে যান
- 📌 আদালত অসুস্থতার কারণে জামিনের আবেদনও প্রত্যাখ্যান করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ
- 📌 ২৬ বছর আগে কিশোরগঞ্জের বড় বাজারে ১২ লাখ টাকা ও ১১০ ভরি স্বর্ণ লুট করে হত্যা করা হয়েছিল
- 📌 ২০০৩ সালে উচ্চ আদালত নুর মোহাম্মদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল
- 📌 আইনজীবী ফয়সাল আহমেদের দাবি: নুর মোহাম্মদ অসুস্থ ও হাঁটতে পারেন না
📰 বিস্তারিত
২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাতে কিশোরগঞ্জের বড় বাজারে দোকান মালিক মো. ফেরদৌসের দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতরা দোকানের সিন্দুক থেকে সাড়ে ১২ লাখ টাকা ও ১১০ ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় মোশাররফ হোসেন ও আবদুল কবিরকে হত্যা করা হয়। মামলায় ১৪ জন আসামিকে অভিযুক্ত করা হয়। বিচার চলাকালে ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয় এবং ২০০৩ সালের ১৬ নভেম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ রায় ঘোষণা করে।
রায়ে হাবিবুর রহমান হাবিব, শাহ আলম, মইন উদ্দিন ওরফে মঈন উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, আলম, দিলু ওরফে দেলোয়ার হোসেন, শুকুর আলী ও আলতু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। নুর মোহাম্মদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার তদন্তে কিশোরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক আনোয়ার হোসেনের ভূমিকা ছিল।
মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে নুর মোহাম্মদ জামিনের আবেদন করেন। আইনজীবী ফয়সাল আহমেদের দাবি, নুর মোহাম্মদের বয়স ১০৪ বছর এবং তিনি অসুস্থ। তিনি স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারেন না এবং নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধ সেবন করতে হয়। তবে আদালত জামিনের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
"নুর মোহাম্মদ জটিল রোগে আক্রান্ত হলেও তিনি স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। তাই তাঁকে জামিন দেওয়ার আবেদন করা হয়েছিল।"
মামলার নথি থেকে জানা যায়, নুর মোহাম্মদ আগে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছিলেন। পরে তিনি পলাতক হয়ে যান। রায় ঘোষণার সময়ও তিনি কারাগারে ছিলেন না।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪, কিশোরগঞ্জের বড় বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নুর মোহাম্মদ, বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন, আইনজীবী ফয়সাল আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৪ বছর (বয়স), ১০ বছর (সাজা), ২৬ বছর (মামলার পুরনোতা), ১২ লাখ টাকা (লুট করা অর্থ), ১১০ ভরি (স্বর্ণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!