📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:২৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জিম্বাবুয়ের ভূমি সংস্কার: নতুন মোড়, তিন শ্রেণির দাবির সমাধান

জিম্বাবুয়ের ভূমি সংস্কার: নতুন মোড়, তিন শ্রেণির দাবির সমাধান

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জিম্বাবুয়ের ভূমি সংস্কারের দুই দশক পর আবারও পরিবর্তনের মুখোমুখি। সরকার তিন ধরনের দাবির সমাধান করছে: বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অধিগ্রহণকৃত ৬৭টি খামার ফেরত দেওয়া, ভুলবশত অধিগ্রহণ করা ৮৪০টি খামার কৃষ্ণাঙ্গ জিম্বাবুয়ানদের ফিরিয়ে দেওয়া এবং অবশিষ্ট ৪০৯ জন শ্বেতাঙ্গ কৃষককে খামার ক্রয়ের সুযোগ দেওয়া

হারারে, জিম্বাবুয়ে – দুই দশকেরও বেশি সময় পর জিম্বাবুয়ের ভূমি সংস্কারের ইতিহাস আবারও নতুন মোড় নিতে চলেছে। প্রধানত শ্বেতাঙ্গদের মালিকানাধীন হাজার হাজার বাণিজ্যিক খামার অধিগ্রহণের প্রায় দুই দশক পর সরকার আবারও সেই সম্পত্তিগুলোর মালিকানা পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট এমারসন মানাঙ্গাগওয়ার সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এটি ভূমি পুনর্বণ্টন কর্মসূচির বিপরীত নয়, বরং তিন ধরনের দাবির সমাধান করা হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অধিগ্রহণকৃত ৬৭টি খামার ফেরত দেওয়া হচ্ছে ডেনমার্ক, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস ও সুইজারল্যান্ডের বিনিয়োগকারীদের কাছে।
  • 📌 ভুলবশত অধিগ্রহণ করা ৮৪০টি খামার কৃষ্ণাঙ্গ জিম্বাবুয়ানদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
  • 📌 অবশিষ্ট ৪০৯ জন শ্বেতাঙ্গ কৃষককে তাদের অধিগ্রহণ করা অংশ কিনে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
  • 📌 ভূমি মন্ত্রী আনজিয়াস মাসুকা জানিয়েছেন, বিআইপিপিএ প্রক্রিয়া দ্বিপাক্ষিক চুক্তির অধীনে সুরক্ষিত বিনিয়োগের আইনি দায়বদ্ধতা সমাধানের জন্য।

📰 বিস্তারিত

জিম্বাবুয়ের ভূমি সংস্কার কর্মসূচি শুরু হয়েছিল ২০০০ সালের পর। সরকার জানিয়েছে, তিন ধরনের দাবির সমাধান করা হচ্ছে: বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অধিগ্রহণকৃত খামার ফেরত দেওয়া, ভুলবশত অধিগ্রহণ করা খামার কৃষ্ণাঙ্গ জিম্বাবুয়ানদের ফিরিয়ে দেওয়া এবং অবশিষ্ট শ্বেতাঙ্গ কৃষকদের খামার ক্রয়ের সুযোগ দেওয়া। ভূমি মন্ত্রী আনজিয়াস মাসুকা সংসদে বলেন, "বিআইপিপিএ প্রক্রিয়া দ্বিপাক্ষিক চুক্তির অধীনে সুরক্ষিত বিনিয়োগের আইনি দায়বদ্ধতা সমাধানের জন্য। এটি ভূমি সংস্কারের পূর্ববর্তী যুগে ফিরে যাওয়ার ইঙ্গিত নয়।"

তবে ভূমি সংস্কার জিম্বাবুয়ের রাজনীতির অন্যতম স্পর্শকাতর বিষয়। স্বাধীনতার পর থেকেই শ্বেতাঙ্গ কৃষকরা উৎপাদনশীল ভূমির অধিকাংশ নিয়ন্ত্রণ করতেন। স্বাধীনতার পর ল্যাঙ্কাস্টার হাউস চুক্তির অধীনে ভূমি পুনর্বণ্টন শুরু হলেও তা প্রত্যাশিত গতিতে এগোয়নি। ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সরকার সমর্থিত সংবিধান সংশোধনী প্রস্তাব ভোটে বাতিল হয়ে যায়। এরপরই জেডএএনইউ-পিএফ দলের সমর্থকরা শ্বেতাঙ্গদের খামার দখল শুরু করে। সরকার দ্রুত ভূমি সংস্কার কর্মসূচির মাধ্যমে তা আনুষ্ঠানিক রূপ দেয়।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ভূমি সংস্কারের সময় সহিংসতা, ভীতি প্রদর্শন ও রাজনৈতিক বৈষম্যের ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। এছাড়া মালিকানা ও বণ্টন নিয়ে বছরের পর বছর বিরোধ চলেছে। এই অস্থিরতা জিম্বাবুয়ের অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে, যার পেছনে রয়েছে মুদ্রানীতি, খরা ও অন্যান্য নীতিগত ব্যর্থতা।

এখন সরকার তিন ধরনের দাবির সমাধান করছে। প্রথমত, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অধিগ্রহণকৃত ৬৭টি খামার ফেরত দেওয়া হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, ভুলবশত অধিগ্রহণ করা ৮৪০টি খামার কৃষ্ণাঙ্গ জিম্বাবুয়ানদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে। তৃতীয়ত, অবশিষ্ট ৪০৯ জন শ্বেতাঙ্গ কৃষককে তাদের অধিগ্রহণ করা অংশ কিনে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

"বিআইপিপিএ প্রক্রিয়া দ্বিপাক্ষিক চুক্তির অধীনে সুরক্ষিত বিনিয়োগের আইনি দায়বদ্ধতা সমাধানের জন্য। এটি ভূমি সংস্কারের পূর্ববর্তী যুগে ফিরে যাওয়ার ইঙ্গিত নয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হারারে, জিম্বাবুয়ে
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট এমারসন মানাঙ্গাগওয়া, ভূমি মন্ত্রী আনজিয়াস মাসুকা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৭টি (বিদেশি বিনিয়োগকারীদের খামার), ৮৪০টি (ভুলবশত অধিগ্রহণকৃত খামার), ৪০৯ জন (শ্বেতাঙ্গ কৃষক)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖